উত্তরপ্রদেশঃ ছাত্রদের পড়িয়ে বাড়ি ফেরর পথে রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে গিয়ে এক স্কুল শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ করল তাঁরই পরিচিত তিন ছাত্র। শুধু তাই নয়, পুইরো ঘটনাটিকে তারা ভিডিও ছবি তুলে রেখেছে তারা। পরে নির্যাতিতা ওই শিক্ষিকার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩ বছরের এর এক শিক্ষিকা টিউশন পড়িয়ে ফেরার পথে অপহরণ করে ধর্ষণ করল তিন কলেজ পড়ুয়া৷ পুরো ঘটনাটি ভিডিও করেও রাখা হয়৷ নির্যাতিতা তরুণী জানিয়েছেন, মোহিত নামে মূল অভিযুক্ত ছাত্র হঠাৎ পিছন থেকে এসে আমার মুখ চেপে ধরে। মুহূর্তের মধ্যে মুখে সালোটেপ লাগিয়ে দেয়। আমি চিৎকার করতে পারছিলাম না। ওরা আমাকে একটা ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায়। ওরাই আমাকে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ঘটনাটি পরে উপভোগ করার জন্য ভিডিও করে রাখে। আমাকে ভয় দেখিয়ে বলে আমি যেন গোটা বিষয়টা চেপে যাই। তা নাহলে ওই ভিডিও ছবি তারা ইন্টারনেটে আপলোড করে দেবে। আমি তাদের ওই হুমকিকে ভয় না করে পুলিশকে পুরোঘটনাতি জানিয়েছি। এই ঘটনা পাওয়ার পরই পুলিশ তাদের ঘ্রে ফেলেছে। গ্রেফতারও করেছে।
বলা বাহুল্য, মাত্র দুই সপ্তাহ আগে মুজফফরনগরেরই এক ২০ বছরের তরুণীকে গণধর্ষণ করেছিল ৮ জন দুষ্কৃতী। ধর্ষণের ভিডিও হোয়াটস অ্যাপে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। একজনের ফোন থেকে অন্যের ফোনে। নির্যাতিতা তরুণীকে ভয় দেখানো হয় এই বলে, পুলিশকে অভিযোগ জানালে ধর্ষণের ভিডিও অনলাইনে ছেড়ে দেওয়া হবে।সেই ঘটনাই শেষমেষ পুলিশ তাদের গ্রেফতারও করেছিল।
ন্যাশনাল ক্রাইম ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশে গতবছরে মোট ৪২,৫৪৬টি মহিলাদের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে ৩০৫০ টিই ধর্ষণের। দেশের মধ্যে উত্তরপ্রদেশেই সবথেকে বেশি ধর্ষণের মত ঘৃণ্য অপরাধ সংগঠিত হয়েছে বলে ন্যাশনাল ক্রাইম ব্যুরোর তথ্য জানাচ্ছে।

No comments:
Post a Comment