Tuesday, 1 July 2014

সাত বছর ধরে বাবার ধর্ষণে গর্ভবতী হল মেয়ে

গোয়াঃ নিজের জন্ম দেওয়া নাবালিকা মেয়েকে টানা ৯ বছর ধরে ধর্ষণ করে গর্ভবতী করে দিল পিতা। বাবার এই অমানবিক কু-কর্মে মায়ের মদত ছিল বলে অভিযোগ। পরে ওই কিশরীর অভিযোগেরভিত্তিতে পুলিশ বাবা-মা’কে গ্রেফতার করেছে। আদালতের নির্দেশে তারা এখন জেলে। ঘটনাটি মুম্বই রাজ্যের পুনার। পুলিশ এবং আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আয়সা নামে বছর সাতেরো বয়সের ওই নাবালিকাকে তার বাবা বিঠল পাওয়ার (৪৪) ৯ বছর বয়স থেকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছে। এখন তার বয়স ১৭। আচমকাই সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার বাবা মেয়েকে স্থানীয় একটি নার্সিং হমে নিয়ে যায় চিকিৎসকরা জানিয়েছে সে গর্ভবতী। এরপর মেয়েটি ডাক্তারের ঘটনার কথা ফাঁস করে দেয়। ডাক্তারের সহযোগিতায় থানা-পুলিশ-আদালত হয়। বর্তমানে মেয়েটি আদাওলতের নির্দেশে একটি এনজিও হেফাজতে রয়েছে। মঙ্গলবার মেয়েটিকে পুনা আদালতে তোলা হলে মেয়েই বিচারকের কাছেও ঘটনাত কথা জানায় এবং বাবার এই কু-কর্মের কথা তার মা রামা পাওয়ার সবই জান তো। বলে সে দাবি করেছে।  আয়শা বলেছে, মা ঘটনার কথা জানতো। রাতে মা অন্য ঘরে থাকতো। বাবা আমাকে নিয়ে রাতে একটি আলাদা ঘরে থাকতো। এবং নিয়মিত ধর্ষণ করতো। চিৎকার করলেও ঘর বন্ধ করে রাখতো বাবা। এরপরই আদালত তাকে এনজিও-র হেফাজতে পাঠায় এবং বিঠল ও তার স্ত্রী রামাকে ১৪ দিন করে জেল হাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।        
ফরিদাবাদঃ নাবালিকাকে অপহরণ করে তিন মাস ধরে ধর্ষণ, অন্তঃসত্ত্বা পর ফেলে পালল যুবক: 
এক নাবালিকাকে প্রথমে লোভ দেখিয়ে অপহরণ করা হয়, তারপর তাকে মধ্যপ্রদেশরে এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে তিন মাস ধরে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী যুবক। পরে মেয়েটি যখন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যায় তখন শহরের বুকে এক জায়গায় তাকে ফেলে চলে যায় অভিযুক্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদাবাদে।
১৫ বছর বয়সি নাবালিকার বাড়ি ফরিদাবাদের দাবুয়া কলোনি এলাকায়। সেখানে প্রথমে তাকে লোভ দেখায় তারই প্রতিবেশী কবিতা। পরে কবিতা ও তার তুতো ভাই সুনীল পটেল, দুজনে মিলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের কোনও এক জায়গায়। তিনমাস ধরে মেয়েটিকে সেই অজ্ঞাত জায়গায় আটকে রেখে, ধর্ষণ করা হয়। প্রায় প্রতিদিনই সেখানে মেয়েটির ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হত, পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের সময় একথা জানিয়েছে মেয়েটির মা। এরমধ্যে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে, তখন তাকে শহরের একটি জায়গায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। মেয়েটির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে কবিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য অভিযুক্ত সুনীল পটেলের খোঁজে তল্লাশি চালাছে পুলিশ।

No comments:

Post a Comment