মধ্যপ্রদেশঃ মোটরবাইক কিনতে ৫০ হাজার টাকায় স্ত্রীকেই বিক্রি করে দিল এক যুবক। একাধিকবার কেনেবেচা ও ধর্ষণ করা হয়েছে ওই বধূকে। দ্বিতীয়বার বিক্রি এবং নির্মম শারীরিক নির্যাতনের পরই ঘটনার কথা জানাজানি হয়। পরে ওই বধূর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁর স্বামী এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের খঁজছে পুলিশ।
ঘটনাটি ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজ্যের। ওই রাজ্যের বৈতুল জেলার থেকে বিদ্ধস্ত ওই নারীকে পুলিশ বুধবার উদ্ধার করেছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় জানা গিয়েছে, বৈতুল জেলার বাসিন্দা সাহেবলাল উখড়ের সঙ্গে বছর চারের আগে বিয়ে হয় আদিবাসী রাধার। তাদের দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। একদিন শিশু কন্যাকে স্ত্রীকে শ্যালকের বাড়িতে রেখে স্ত্রীকে বেড়াতে নিয়ে সাহেবলাল। চাঁচোড়া গ্রামে বন্ধু আরবিন্দ মীনার বাড়িতে রেখে উধাও হয়ে যায় সাহেবলাল। অরবিন্দ রাধাকে নজরবন্দি করে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ করতে থাকে। কোলের শিশুর জন্য রাধা অস্থির হয়ে পড়লে অরবিন্দ রাধাকে জানিয়ে দেয় তাঁর স্বামী মোটরবাইক কেনার জন্য তাকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে। শুনে হরবাক রাধা! পালানোর জন্য চেষ্টা করছিলেন। তাকে আর আটকে রাঝা যাবে ন্স বুঝতে পেরে বাই ফিরিয়ে দিয়ে আসার নাম করে আরবিন্দ একদিন তাঁকে নিয়ে গিয়ে যায় রাজগড় জেলার প্রত্যন্ত নেবলী গ্রামে। সেখানে অন্য এক বন্ধু দিলীপ পালীওয়ালের কাছে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর দিলীপ তাঁকে ওই রাতেই পুর্হিত ডেকে জোর করে বিয়ে করে নেয়। সেখানেও তাঁকে দিন সাতেক আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে। শেষমেশ রাধা ওই বাড়ির এক বালিকার মোবাইল ফোন থেকে তার মাসিকে ফোন করে বিষয়টির কথা জানানোর পর ঘটনাটি সামনে আসে।
ওই নারীর বাবা রামু ফোন নম্বর নিয়ে সারাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হন। রাজগড় থানার পুলিশ আধিকারিক সুধীর বি লান্ড জানিয়েছেন, রাধারকে তার স্বামী বিক্রি করে দিয়েছিল। তারপরও তাকে কেনাবেচা হয়েছে। আমরা অভিযুক্তদের ধরার চেষ্টা করছি। অভিযোগ পাওয়ার পরই বিভিন্ন গ্রামে দিয়ে তাদের খোঁজ পাইনি। তারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। শিশুটিকেও উদ্ধার করে তাঁর কাছে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজ্যের। ওই রাজ্যের বৈতুল জেলার থেকে বিদ্ধস্ত ওই নারীকে পুলিশ বুধবার উদ্ধার করেছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় জানা গিয়েছে, বৈতুল জেলার বাসিন্দা সাহেবলাল উখড়ের সঙ্গে বছর চারের আগে বিয়ে হয় আদিবাসী রাধার। তাদের দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। একদিন শিশু কন্যাকে স্ত্রীকে শ্যালকের বাড়িতে রেখে স্ত্রীকে বেড়াতে নিয়ে সাহেবলাল। চাঁচোড়া গ্রামে বন্ধু আরবিন্দ মীনার বাড়িতে রেখে উধাও হয়ে যায় সাহেবলাল। অরবিন্দ রাধাকে নজরবন্দি করে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ করতে থাকে। কোলের শিশুর জন্য রাধা অস্থির হয়ে পড়লে অরবিন্দ রাধাকে জানিয়ে দেয় তাঁর স্বামী মোটরবাইক কেনার জন্য তাকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে। শুনে হরবাক রাধা! পালানোর জন্য চেষ্টা করছিলেন। তাকে আর আটকে রাঝা যাবে ন্স বুঝতে পেরে বাই ফিরিয়ে দিয়ে আসার নাম করে আরবিন্দ একদিন তাঁকে নিয়ে গিয়ে যায় রাজগড় জেলার প্রত্যন্ত নেবলী গ্রামে। সেখানে অন্য এক বন্ধু দিলীপ পালীওয়ালের কাছে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর দিলীপ তাঁকে ওই রাতেই পুর্হিত ডেকে জোর করে বিয়ে করে নেয়। সেখানেও তাঁকে দিন সাতেক আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে। শেষমেশ রাধা ওই বাড়ির এক বালিকার মোবাইল ফোন থেকে তার মাসিকে ফোন করে বিষয়টির কথা জানানোর পর ঘটনাটি সামনে আসে।ওই নারীর বাবা রামু ফোন নম্বর নিয়ে সারাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হন। রাজগড় থানার পুলিশ আধিকারিক সুধীর বি লান্ড জানিয়েছেন, রাধারকে তার স্বামী বিক্রি করে দিয়েছিল। তারপরও তাকে কেনাবেচা হয়েছে। আমরা অভিযুক্তদের ধরার চেষ্টা করছি। অভিযোগ পাওয়ার পরই বিভিন্ন গ্রামে দিয়ে তাদের খোঁজ পাইনি। তারা গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। শিশুটিকেও উদ্ধার করে তাঁর কাছে দেওয়া হয়েছে।
No comments:
Post a Comment