
গোয়াঃ ভারতের গোয়ার সমুদ্রতটে বিকিনি পরা বন্ধ করার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠলে শেষ মেষ তা বন্ধ নিষিদ্ধ হচ্ছে না। সেখানকার পূর্তমন্ত্রী সুদীন ধবলিকরের দাবি মেনে গোয়ার সমুদ্রতটে বিকিনি পরা নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে না রাজ্য সরকার। এহেন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিক্কর। বুধবার বিকালে তিনি ধবলিকরের বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা তাঁর মতামত জানতে চাইলে পারিক্কর বলেন, “গোয়ার সমুদ্রতটে বিকিনি নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় সরকার। তবে তা যাতে অশোভন হয়ে না ওঠে, সেটাও দেখতে হবে।” একই সঙ্গে সমুদ্রতট সহ প্রকাশ্য স্থানে মদ্যপান নিষিদ্ধ করা হবে বলেও জানান তিনি।
গোয়ার সমুদ্রতটের টানে বিদেশ থেকে প্রতি বছরই দলে দলে পর্যটকরা আসেন।বিকিনি পরে সমুদ্রের তীরে শুয়ে রৌদ্রস্নান মহিলা পর্যটকদের কাছে একটা বড় আকর্ষণ। সেই প্রেক্ষাপটে ধবলিকরের গতকালের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া, বিস্ময়ের সৃষ্টি হয় তিনি বলে বসেন, গোয়ার বিচে বিকিনি পরে আসা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত মেয়েদের বিকিনি পরে প্রকাশ্য স্থানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া ঠিক হবে না কেননা দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও সেখানে পর্যটকরা ভিড় করেন। তাদের সামলানো কঠিন। কোনও একটা ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর নিগৃহীতা যখন পুলিশের কাছে যান, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই সমুদ্রতীরে বিকিনি পরে যাওয়া বন্ধ রাখাই বাঞ্ছনীয়।তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি মুখ্যমন্ত্রী পারিক্কর সমর্থন করেন বলেও দাবি ধবলিকরের।বলেন, উনি ম্যাসাজ পার্লারগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছেন।বিকিনি পরার বিষয়টাও তিনি অন্যভাবে মোকাবিলা করবেন।কিন্তু তাঁর দাবি অসার প্রমাণ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।
ধবলিকর এর আগে মেয়েদের ছোট পোশাকে পাবে যাওয়া গোয়ার সংস্কৃতির পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছেন।
তবে তাঁর এহেন একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলেও ধবলিকারের কাছে জবাবদিহি বা ব্যাখ্যা চাওয়া হয়নি বলে জানান পারিক্কর। তিনি বলেন, উনি যা বলেছেন, সেটা ওঁর নিজস্ব মত।
পারিক্কর প্রকাশ্যে মদ্যপানের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে বলেন, সমুদ্রতটে বসে মদ খাওয়া চলবে না।। খেতে হলে রেস্তোরাঁয় যেতে হবে।রাস্তায়ও মদ খেয়ে কখনও কখনও মারামারি হয় আমরা কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি না।কিন্তু বারে মদ খেয়ে মারপিট, হাতাহাতি হলে বারের লাইসেন্স বাতিল করা যায়।
No comments:
Post a Comment