Saturday, 27 June 2015


ধর্ষণে বাধা পেয়ে বন্ধুর স্ত্রীর গায়ে আগুন

কানপুর সংবাদদাতাঃ বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কানপুরের দেহাত অঞ্চলের ভোগানিপুর এলাকার পিপারি গ্রামে। গুরুতর আহত অবস্থায় বছর ৩৫-এর ওই মহিলাকে কানপুর মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই মহিলার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।

পুলিশ সূত্রে খবর, পিপারি গ্রামেরই বাসিন্দা রাম অতার ও তার পাশেরই গ্রামের এক বন্ধু দীনেশ একসঙ্গে মদ্যপান করেছিল। মদ্যপ অবস্থায় রাম বাড়ি না ফিরে অন্য কোথাও চলে যায়। সেই সময় দীনেশ রামের বাড়িতে আসে। রামের স্ত্রী তখন দুই সন্তানকে নিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করে দীনেশ। কিন্তু তিনি বাধা দেওয়ায় তাঁর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয় দীনেশ। কানপুর দেহাত পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রতিবেশীরাই সেই সময় ওই মহিলাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্ত পলাতক।

 

Thursday, 25 June 2015


মালদহ দিয়ে সারা দেশে ছড়াচ্ছে জাল নোট

তুন দিল্লি সংবাদদাতাঃ মালদহে এত জাল নোট কোথা থেকে আসছে? তদন্ত নেমে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের কাছে প্রথম প্রশ্ন ছিল এটাই। সাম্প্রতিক কালে জাল নোট কাণ্ডে যতজন ধরা পড়েছিল, সবারই মালদহ যোগ স্পষ্ট ছিল।তদন্তে উঠে এসেছে, গোটা দেশের জাল নোটকারবারীদের নব্বই শতাংশই মালদহ ইউনিটের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এখান থেকেই দেশের সব প্রান্তে জাল নোট ছড়িয়ে পড়ে।সম্প্রতি এনআইএ-র জালে ধরা পড়েছে জাল নোটের কারবারি সোনাউল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। রাজধানী দিল্লিতে তাঁকে তদন্তের স্বার্থে নিয়ে গিয়ে গিয়েছেন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা জেনেছেন, মালদহ থেকে ২০১৩-১৪ সালে ১৫০০ কোটি টাকার জাল নোট ভারতের বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জনি শেখ নামে এক ব্যক্তি গোটা ঘটনার মূল পান্ডা। সে এবং তার গোটা দল মালদহে নোট ছাপার কাজ শুরু করতে চাইছিল। ADVERTISEMENT তবে এই নোট আসত কোথা থেকে? নিচের স্লাইডে দেওয়া হল বিস্তারিত তথ্য।


 

 


ব্যবসার খাতিরে বাঁকুড়ায় পরিযায়ী পাখি মারছে শিকারীরা
‘থাইমেট’ নামক রাসায়নিক ব্যবহার, সংকটে মানুষ ও জীব বৈচিত্র্য
কলকাতা সংবাদদাতাঃ পরিযায়ী পাখিদের আগমন পর্যটন শিল্পের অন্যতম আর্থিক ভরসা জোগাত এক সময়। এখন সেই পাখিরাই বিপন্ন হয়ে যেতে বসেছে। আর সেটা হচ্ছে মানুষের লোভে। এই পরিযায়ীদের মারার জন্য ব্যবহার হচ্ছে থাইমেট বা 'ফোরেট টেন জি' নামে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। সেই মরা পাখির মাংস বিক্রি হচ্ছে বাঁকুড়ার বাজারে। কপালে ভাঁজ পড়েছে সেখানকার পরিবেশ দফতর ও পরিবেশপ্রেমীদের।
কীভাবে হচ্ছে এই বিষ প্রয়োগ? প্রথমে ফড়িং ধরে তার পেট চিরে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে কৃষি রাসায়নিক থাইমেট নামক বিষ। সেই ফড়িং যখন দামোদরের জলে ভাসে, তখন পরিযায়ী পাখিরা ওই ফড়িং খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ওড়ার ক্ষমতা না থাকায় ভেসে যাচ্ছে জলে। আর ওঁৎ পেতে সেই পাখিদের শিকার করতে অপেক্ষায় থাকে শিকারিরা। তারপর তারা সেই পাখিদের পানাগড়, গলসী, বুদবুদ, রণডিহা বাজারে ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি করে। এ তো গেল পরিযায়ী পাখিদের ধ্বংসের কথা। মানুষের রক্তেও যদি সামান্য পরিমাণ ওই রাসায়নিক পদার্থ মিশে যায়, তাতে মৃত্যু হতে পারে ওই মাংস ভক্ষণকারী মানুষেরও। এমনটাই জানাচ্ছেন কৃষি রাসায়নিক বিক্রেতারা। পাখি ধরার সঙ্গে সঙ্গেও যদি তাদের পাকস্থলী কেটে বাদ দিয়েও দেওয়া হয়, তবু আশঙ্কা একটা থেকেই যায় বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। কারণ কিছুটা হলেও ওই বিষ পাখির শরীরে থেকে যাচ্ছে, যা অজান্তে ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের শরীরে।
জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় মূলত ব্রাহ্মণী হাঁস ও নর্দান পিন্টেল হাঁস নামের পরিযায়ী পাখিরা আসে। থাইমেট দিয়ে এদের মেরে ফেলার ফলে প্রথমত পরিযায়ী পাখিদের সংখ্যা কমবে। দ্বিতীয়ত এই মাংস খাওয়ার ফলে মাংসে থেকে যাওয়া অবশিষ্ট বিষে মানুষের নিউরো ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা ব্যহত হয়। হৃদ্‌স্পন্দন ব্যহত হয়। মানুষের মৃত্যুও হয়। এই বিষের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবে লিভার, কিডনি, পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিবেশবিদদের মতে, এইভাবে পাখি নিধন চলতে থাকলে পরিযায়ীদের আসাই কমে যাবে, জীববৈচিত্র্যও বিপন্ন হবে।

প্যাকেটবন্দি দুধ রান্নার তেল পানীয় জল নিয়ে সতর্কতা দেশ জুড়ে

কলকাতা সংবাদদাতাঃ ম্যাগিকাণ্ডের জেরে টনক নড়েছে FSSAI-এর কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে প্রতি রাজ্যের ফুড কমিশনারে। বলা হয়েছে প্যাকেটবন্দি বিভিন্ন খাদ্য ঘন ঘন পরীক্ষা করতে। বিশেষ করে নজরে রাখতে বলা হয়েছে প্যাকেটবন্দি দুধ পানীয় জল এবং রান্নার তেল।
গুণমান ঠিক রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রায়ই নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানোর জন্য। ম্যাগির পরে মাদার ডেয়ারির দুধ এবং গ্লুকোন ডি-র গুণমান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই দুটি সংস্থা অভিযোগ অস্বীকার করলেও নজরদারিতে ফাঁক রাখতে নারাজ FSSAI  
পাশাপাশি পরীক্ষা করা হবে অন্য সংস্থার নুডলস পাস্তা এবং ম্যাকারোনির নমুনাও। তবে সবথেকে বেশি কড়া নজরে রাখা হচ্ছে দুধ পানীয় জল রান্নার তেলের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যকে।
 
এখনও লাঞ্ছনার শিকার রূপান্তরকামীরা
নতুন দিল্লি সংবাদদাতাঃ খাতায়-কলমে স্বীকৃতি মিললেও ক্যাম্পাসে এখনও লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপান্তরকামী পড়ুয়াদের৷ স্নাতক স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে আবেদনপত্রে রূপান্তরকামীদের জন্য পৃথক অপশনের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপান্তরকামী পড়ুয়াদের অভিজ্ঞতা বলছে অন্য কথা৷ যেখানে স্নেহার মতো রূপান্তরকামীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পদক্ষেপে খুশি, সেখানে ইশানা, রেহানার মতো পড়ুয়াদের অভিজ্ঞতা পুরো আলাদা৷ তৃতীয় বর্ষের এই পড়ুয়াদের দাবি, কলেজের প্রথম দিন থেকেই ক্যাম্পাসে নিয়মিত লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের৷ কারণ একটাই, তাঁরা রূপান্তরকামী৷ ফলে কলেজে ভর্তির পর থেকে একদিনও ক্লাস করতে পারেনি ইশানা, রেহানারা৷ গৃহশিক্ষকের কাছে পড়েই তাঁদের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়েছে৷ তাঁদেরকে কেউ মানুষ বলেই মনে করে না বলে আক্ষেপ এই পড়ুয়াদের।
প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপত্রে রূপান্তরকামীদের জন্য আলাদা অপশন যথেষ্ট নয় বলে অনেকের মত৷ আবার অনেকেই এটিকে রূপান্তরকামীদের স্বাধীনতা দেওয়ার পক্ষে প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করছেন৷ ক্যাম্পাসের পরিবেশকে রূপান্তরকামীদের জন্য আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলারও দাবি তুলেছেন অনেকেই৷
 
চার কন্যায় চাপে বিজেপি
 নতুন দিল্লি সংবাদদাতাঃ চারকন্যায় চাপে বিজেপি। ললিত- সুষমা যোগে তোলপাড়। টলমল বসুন্ধরার আসনও। মহারাষ্ট্রে দুর্নীতির ফাঁসে পঙ্কজা মুন্ডে। শংসা গেরোয় স্মৃতি। একের পর এক কেলেঙ্কারিতে বিতর্কে আচ্ছে দিনের সরকার।
এক নজরে দেখে নেব বিজেপি-র চার কন্যার বিতর্ক--
সুষমা স্বরাজ (কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী)- আইপিএলে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ললিত মোদীকে বিদেশে ভিসা পেতে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছে সুষা স্বরাজের বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে একের পর এক নথি সামনে আসার পর সুষমা স্বীকার করে নেনে ললিত মোদীকে তিনি মানবিক কারণে সাহায্য করেছিলেন। কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে থাকা ললিত মোদীকে কেন তিনি সাহায্য করলেন এই প্রশ্নে দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। বিরোধীরা সুষমার পদত্যাগের দাবিতে সরব হন।
বসুন্ধরা রাজে (রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী)- ললিত মোদীর অভিবাসন নথিতে সই আছে বসুন্ধরার। বসুন্ধরার ছেলে দুষ্মন্ত সিং ললিত মোদীর কাছ ১১ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন, সেটাও অনেকটাই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। ললিত যোগে বসুন্ধরা দলকে বেকাদায় ফেলে দিয়েছেন।
পঙ্কজা মুন্ডে (মহারাষ্ট্রের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী)- নিয়ম বহির্ভূতভাবে ২০৬ কোটি টাকার ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী পঙ্কজা মুন্ডের। সিবিআই তদন্তের দাবি করে কংগ্রেস। অভিযোগ অস্বীকার মন্ত্রীর। প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গোপীনাথ মুন্ডের মেয়ে তথা মহারাষ্ট্রের নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী পঙ্কজা মুন্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ কোনও দরপত্র ছাড়া একই দিনে ২৪টি সংস্থাকে শিশুদের স্কুলের জন্য ২০৬ কোটি টাকার জিনিসপত্র কেনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি।
স্মৃতি ইরানি(কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী)- স্মৃতি ইরানির বিরুদ্ধে উঠেছে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে উপর্যুপরি ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ। আহমের খান নামে এক ব্যক্তি আদালতে অভিযোগ করেন, ২০০৪-এর রাজ্যসভা এবং ২০১৪-র লোকসভা ভোটের সময়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য পেশ করেছেন স্মৃতি। আহমেরের দাবি, ২০০৪-এর হলফনামায় স্মৃতি জানান, তিনি বিএ পাস। আবার লোকসভা ভোটের সময়ে হলফনামায় স্মৃতি লেখেন, তিনি বি-কম প্রথম বর্ষ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন
 

সারদাকান্ডে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম,
জড়ালেন মদন মিত্রেরআইনজীবী, খারিজ মদনের জামিন-আর্জি

কলকাতা সংবাদদাতাঃ সারদাকাণ্ডে ধৃত রাজ্যের মন্ত্রী মদন মিত্রর জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল আলিপুর জেলা ও দায়রা আদালত। সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারির ব্যাপকতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মদনের জামিনের আর্জির যৌক্তিকতা খারিজ করে দিলেন বিচারক।

এদিন জামিনের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আদালতে মুখ্যমন্ত্রীর নাম টেনে আনেন পরিবহণমন্ত্রীর আইনজীবী। এক আমানতকারীর সিবিআইকে দেওয়া জবানবন্দির অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই আমানতকারী জানিয়েছেন, সারদার এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের অফিসে মদন মিত্রর নামাঙ্কিত বোর্ড দেখে তিনি যেমন ভরসা পেয়েছিলেন, তেমন কলম পত্রিকার উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেও তিনি সারদায় লগ্নি করার ব্যাপারে আশ্বস্ত হন। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের এক রাজনৈতিক নেতার মুখে সারদার প্রশস্তি শুনেও তিনি ভরসা পান। জবানবন্দিতে এতজনের নাম থাকা সত্ত্বেও, শুধু মদন মিত্র কেন জেলবন্দি? তাঁকে কেন বলির পাঁঠা করা হচ্ছে?

অন্যদিকে, সিবিআই আইনজীবী যুক্তি দেন, মদন মিত্র এখনও মন্ত্রী রয়েছেন। তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাসপাতালেই দিনের পর দিন রয়েছেন। তাই তাঁর  প্রভাব এখনও পুরোমাত্রায় রয়েছে। তাই তাঁর জামিন হলে সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

 

আবু সালেমকে বিয়ে করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ মহিলা

মুম্বই সংবাদদাতাঃ ইচ্ছা কুখ্যাত গ্যাংস্টার আবু সালেমকে বিয়ে করার। সেজন্য আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক তরুণী।

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, বছর ছাব্বিশের এক মহিলা মুম্বইয়ের টাডা আদালতে আবেদন করে জানিয়েছেন, তিনি আবু সালেমকে বিয়ে করতে চান। বৃহস্পতিবার এই কথা জানান মহিলার আইনজীবী ফারহানা শা। ১৯৯৩ সালে মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় বর্তমানে সালেম জেলে বন্দি।

এদিন আদালতে শা জানান, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি ট্যাবলয়েডে সালেম ও তাঁর মক্কেলের ছবি প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, সালেম নাকি তাঁর মক্কেলকে বিয়ে করেছেন। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয় যে, পুলিশ যখন তাঁকে লখলউ নিয়ে যাচ্ছিল, তখন ট্রেনে ওই তরুণীকে ফোনের মাধ্যমে ‘নিকাহ’ করেন সালেম।

বিষয়টি নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। মামলা চলাকালীন সালেমের এই নতুন সম্পর্কের বিষয়টি উঠলে সিবিআই টাডা আদালতে জানিয়েছিল যে, ছবিটি আসল নয়। যার জেরে ঠানে পুলিশকে এই ছবির তদন্ত করার নির্দেশ দেন বিচারক।

এরপরই, বিষয়টির তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তরুণীর অতীত-বর্তমান সম্পর্কে খোঁজখবর করেছিল পুলিশ। এদিন আইনজীবী মারফৎ ওই তরুণী আদালতকে জানান, পুলিশি তদন্তের ফলে সালেমের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি বা সম্পর্কের কথা জানাজানি হয়ে যায়। যার জেরে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট এবং সম্মানহানি হয়েছে। এখন কেউ তাঁকে বিয়ে করতে চাইছেন না। মহিলা এ-ও জানান, সালেমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়নি। তবে তিনি বিয়ে করতে চান সালেমকে।

এদিকে, এই সম্পর্কের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সালেম।

 

ডাকাতিতে বাধা, কুপিয়ে খুন পুলিশকর্মীকে



কলকাতা সংবাদদাতাঃ নিজের বাড়িতে ডাকাতিতে বাধা দিতে গিয়ে খুন পুলিশকর্মী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি পুলিশকর্মীর স্ত্রী। আজ ভোররাতে কৃষ্ণনগরের কোতয়ালির পালপাড়ায় রমাপ্রসাদ চন্দ নামে ওই কনস্টেবলের বাড়িতে চড়াও হয় ৭-৮ জনের ডাকাতদল। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা লুঠপাট শুরু করলে বাধা দেন ওই পুলিশকর্মী। এরপরই সস্ত্রীক পুলিশকর্মীকে দুষ্কৃতীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায় বলে অভিযোগ। পরে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে পুলিশকর্মীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় পুলিশকর্মীর স্ত্রীকে। 

এর আগে নদিয়ার রানাঘাটের মিশনারি স্কুলে ডাকাতি করতে এসে বৃদ্ধ সন্ন্যাসিনীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার জেরে রাজ্য ছাড়েন ওই সন্ন্যাসিনী। তার কয়েকমাসের মধ্যে এবার নিজের বাড়িতে ডাকাতি রুখতে গিয়ে পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়। নদিয়া জুড়ে দুষ্কৃতীরাজের বাড়বাড়ন্তে প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা।

নগ্ন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেলিং করে গ্রেফতার জিমের ট্রেনার

মিজোরাম সংবাদদাতাঃ ফেসবুকে বন্ধুত্ব পাতিয়ে টাকা লুঠের অভিযোগ। নগ্ন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেলিংয়ের অভিযোগ। মিজোরামের বাসিন্দা লাল রোয়াত কিমার অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেফতার করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানা। হোটেল ম্যানেজমেন্টের ছাত্র কিমার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় সোহেল মামুনের। কেষ্টপুরে থাকেন কিমা। তাঁকে দেখা করতে বলে বাঘাযতীনের সোহেল।

কিমার সঙ্গে দেখা করে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। তারপর জয়ন্ত ঘোষ নামে এক সঙ্গীকে নিয়ে কিমার এটিএম থেকে ছ হাজার টাকা লুঠ করে বলে অভিযোগ। মুখ বন্ধ রাখতে কিমার নগ্ন ছবি তুলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

 

বদায়ুঁর ছায়া এবার বাঁকুড়ায়,
খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ কিশোরীকে


কলকাতা সংবাদদাতাঃ বদায়ুঁর ছায়া এবার বাঁকুড়ায়। খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক কিশোরীকে। গরু জমির ফসল খেয়ে নেওয়ার জেরেই মর্মান্তিক এই ঘটনা। কাঠগড়ায় জমির মালিক।  

উত্তরপ্রদেশের বদায়ুঁর পর এবার পশ্চিমবঙ্গের ভিখুরডিহি। ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করার পর দুই কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বদায়ুঁতে। ভিখুড়ডিহির নীলুফা খাতুনের কাহিনি আরও করুণ। বুধবার সকালে সে মাঠে গরু চড়াতে বের হয়। নীলুফার গরু অন্যের জমিতে নেমে ফসল খেয়ে নেয় বলে অভিযোগ। তারই জেরে  জমির মালিক  ওই কিশোরীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ।

মাঠে নীলুফার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ওই কিশোরীর দেহ আটকে রেখে  বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বিক্ষোভ। অভিযুক্ত জমির মালিক ততক্ষণে বেপাত্তা। পুলিসের হস্তক্ষেপে শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পঞ্চয়েত প্রতিনিধিও সরব হন।

নীলুফার গলার কাছে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। অভিযুক্ত জমিমালিক মহাদেব গড়াইকে বেধড়ক মারধরের পর  গ্রামবাসীদের একাংশ গোপন ডেরায় আটকে রেখেছে বলে পরে জানতে পারে পুলিস। রাতেই  তাঁকে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিস। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্যই জমির মালিক দেহটি গাছে ঝুলিয়ে দেয়।  তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

 

 
ফেসবুকে 'পোস্ট' করে 'জোর করে' বিয়ে আটকালেন এক তরুণী

হায়দ্রাবাদ সংবাদদাতাঃ 
: 'বলপূর্বক' বিয়ে আটকাতে ১০০ ডায়াল করে নয়, স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে স্টেটাস আপডেট করলেন হায়দ্রাবাদের এক তরুণী। আর ফলও পেলেন হাতেনাতে। জোর করে বিয়ে হওয়ার হাত থেকে রেহাই পেলেন তিনি।জানা গিয়েছে, বাবা ও দাদা জোর করে বিয়ে দিতে চাইছে একজন ৩৮ বছরের পুরুষের সঙ্গে। এটা জানার পরই বছর ২৪-এর তরুণী ভেঙে পড়েন। পুলিশে যোগাযোগ করার পর সেখান থেকে প্রত্যাখ্যাত হন তিনি। পুলিশ তাঁকে পরিবারের মত মেনে চলার বুদ্ধি দেয়।
এরপর আর কোনও উপায় না দেখে সটান ফেসবুকে বিস্তারিত বর্ণনা সমেত পোস্ট করেন তিনি। জানান
, কীভাবে ইচ্ছার বিরুদ্ধে বয়সে অনেকটাই বড় এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফেসবুকে তাঁকে বাঁচানোরও আবেদন করেন ওই তরুণী।রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেসবুকে নিজের বিস্তারিত জানানোর পরই তরুণীর সঙ্গে বহু লোকে যোগাযোগ করে। অনেকে তাঁর মোবাইলে টাকা ভরে দেয় যাতে সে সবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।কয়েকজন মহিলা এরপর যুবতীটির বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করে। পরে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ ও ৩৪১ ধারায় বাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে মামলা করে।জানা গিয়েছে, যুবতীটি আপাতত এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। তাঁর ফেসবুক পোস্টটিও মুছে দেওয়া হয়েছে।

 

Wednesday, 24 June 2015



গোয়ায় দেহ ব্যবসা চক্রের কবল থেকে এক তেলগু অভিনেত্রী

গোয়া সংবাদদাতাঃ গোয়ায় দেহ ব্যবসা চক্রের কবল থেকে এক তেলগু অভিনেত্রীকে উদ্ধার করল পুলিশ। গোয়ার একটি পাঁচ তারা হোটেলে হানা দিয়ে ওই অভিনেত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই অভিনেত্রীকে অবশ্য স্বল্প সময়ের জন্য দেখা গিয়েছে রুপোলি পর্দায়। পুলিশ ইন্সপেক্টর সিদ্ধান্ত শিরোদকর জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালানো হয়। তার আগে পুলিশ ওই হোটেলে ছদ্মবেশী ক্রেতা পাঠায়।

শিরোদকর আরও জানিয়েছেন, ওই চক্রের পাণ্ডা আয়েশা সইদকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অভিনেত্রীকে উদ্ধার করে হোমে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, আয়েশা ওই অভিনেত্রীকে অভিজাত রিসর্টে দেহ ব্যবসার প্রস্তাব দিয়েছিল।

শিশু পাচার করে পরিচারিকা থেকে কোটিপতি,
ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত

রাঁচি সংবাদদাতাঃ লতা লাকরা কাজ করতেন পরিচারিকার, কিন্তু শিশু পাচার করে তিনি আজ কোটি টাকার সম্পত্তির মালকিন। সোমবার রাতে রাঁচি শহর থেকে কিছু দূরে কানহাতে তাঁর বিশাল বাংলো বাড়ি থেকে পুলিশ লতাকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে দেড় হাজার নাবালিকাকে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

সমাজ তাঁকে চেনেন একজন সাধারণ পরিচারিকা হিসেবে, যাঁর স্বামী ধানবাদের কয়লা খনিতে কাজ করা একজন সাধারণ শ্রমিক। কিন্তু লতা লাকরা নামের সেই পরিচারিকার দিল্লি সহ ঝাড়খণ্ডের কানহা ও পুনদাগে কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়াও এই তিন জায়গায় বিশাল বাংলো বাড়ির অধিকারী এই মহিলা। দিল্লিতে তাঁর পরিচারিকা সরবরাহ করার সংস্থাটিও বেশ বড়, চারটি তলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংস্থাটি। যদিও লতার দাবি তাঁর সংস্থা একটি তলাতেই আছে এবং সেটাও নাকি ২০০৯ সালে বন্ধ হয়ে গেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরার সময় লতা দেড়শো জন নাবালিকাকে পরিচারিকার কাজে যোগ দেওয়ানোর কথা স্বীকার করলেও, শিশু পাচারের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন প্রত্যেক নাবালিকার মাথা পিছু তিনি চার হাজার টাকা করে কমিশন পান।

লতা জানিয়েছেন, তিনি ২০০০ সালে দিল্লিতে একজন সাধারণ পরিচারিকা হিসেবে কাজে যোগ দেন, কিন্তু তার দুবছরের মধ্যেই তিনি নিজের প্লেসমেন্ট সংস্থা খুলে ফেলেন দিল্লিতে। তারপর বাড়ি গাড়ি সবই করেন দিল্লি সহ ঝাড়খণ্ডে। নিজের দুই সন্তানকে দিল্লির বিখ্যাত স্কুলে ভর্তিও করেছেন। একজন মানুষ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করে কিভাবে এত সম্পত্তির অধিকারী হলেন, জানতে চান পুলিশ। সেবিষয় অবশ্য নিরুত্তর থাকেন লতা। লতার ক্ষমতাসম্পন্ন ও কুখ্যাত নারী পাচারকারী বাবা বামদেব এবং পান্নালাল মাহতোর সঙ্গেও বিশেষ ঘনিষ্ঠতা আছে বলে জানা গেছে সূত্রের তরফে। পুলিশের ধারণা, লতাকে যদি দিল্লির সংস্থা থেকে গ্রেফতার করা যেত, তাহলে আরও অনেক বেশি নথি সহ গ্রেফতার করা যেত তাঁকে।

পুলিশ সূত্রে খবর এবারও নাবালিকাদের অপহরণ করার উদ্দেশেই ঝাড়খণ্ডে এসেছিলেন লতা। সামনের জুলাইয়ে জগন্নাথপুর মেলা থেকে শিশু অপহরণের পরিকল্পনা ছিল লতার। সূত্রের তরফে জানা গেছে, লতার স্বামী একজন সাধারণ শ্রমিক ও দেওর ঝাড়খণ্ড পুলিশের হাভিলদার হলেও, তিনি দিল্লিতে সবাইকে বলেছিলেন তাঁর স্বামী এবং দেওর উচ্চপদস্থ সিআরপিএফ অফিসার। আপাতত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে লতাকে খুনতি জেলে পাঠানো হয়েছে।

 

Tuesday, 23 June 2015


মহিলাদের শৌচাগারে উঁকি প্রবাসে দণ্ডিত ভারতীয় বংশোদ্ভূত

কলকাতা সংবাদদাতাঃ মসজিদে মহিলাদের শৌচাগারে উঁকি দিয়েছিল সাফাই কর্মী। সেই অভিযোগে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হল এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে। তিন মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে সে।
ওই ব্যক্তি শৌচাগারের সাফাই কর্মী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন ৪৭ বছর বয়সী এক অনুবাদক। তাঁর বক্তব্য তিনি প্রথমে দেখেন মসজিদের বাগানে গাছে জল দিচ্ছে ওই ব্যক্তি। শৌচাগারে ঢুকে ঘামের কটু গন্ধ টের পান ওই মহিলা। তাঁর দাবি প্রায় ৪-৫ মিনিট ধরে স্থায়ী ছিল গন্ধটা। তিনি বুঝতে পারেন কোনও পুরুষ প্রবেশ করেছে। তাঁর চিৎকারে ওই ব্যক্তি পালায় বলে অভিযোগ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। তার দাবি সে বাথরুম এবং ভেন্টিলেটর ফ্যান সাফ করছিল। অন্যদিকে পুলিশের বক্তব্য বাথরুমের পরিসর ছোট। ফাঁকা থাকলে তবেই সাফাই করার অনুমতি ছিল | বাইরে থেকেও বাথরুম ফাঁকা না সেখানে কেউ আছেন সেটা  সহজেই বোঝা যায়। তাই ভুল করে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে দুবাই পুলিশ।

শাশুড়ি আমাকে ‘গ্ল্যামারাস’ ভূমিকায় দেখতে চান: করিনা

মুম্বই সংবাদদাতাঃ এতো আর যে সে শাশুড়ি নন, ভারতীয় চলচ্চিত্রে একসময়ের সাড়া জাগানো নক্ষত্র তিনি। যুগের তুলনায় অনেকটাই সাহসী। সেকারণেই বোধহয় ছেলের বউকে অবলীলায় ‘সেক্সি’, ‘গ্ল্যামারাস’ রূপে দেখতে চাইতে পারেন। তিনি নবাব পত্নী শর্মিলা ঠাকুর।  একথা নিজে মুখে জানিয়েছেন শর্মিলা-তনয় সইফ আলি খানের স্ত্রী বলিউড ডিভা করিনা কপূর। তিনি একটি সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, তাঁকে গ্ল্যামারাস চরিত্রে দেখতে চান তাঁর শাশুড়ি মা।  করিনা আরও জানিয়েছেন, তাঁর শাশুড়ি নাচ গান খুবই পছন্দ করেন। ‘দাবাং-২’-এ আইটেম গানের দৃশ্যের মতো নাচও বেশ পছন্দ তাঁর।

শাশুড়ি মায়ের এই কথাগুলো অবশ্যই প্রশংসা বলেই মনে করেন পুত্রবধূ। বিয়ের পরও তাঁর যে গ্ল্যামার এতটুকুও কমেনি, এতেই খুশি করিনা।  করিনা জানিয়েছেন, শুধু কেরিয়ারের ক্ষেত্রেই নয়, বাড়ির কাজেও শর্মিলা তাঁর অনুপ্রেরণা। বিয়ের পর সন্তানের জন্ম দিয়েও ঘর-বার একসঙ্গে সামলে তিনি যেভাবে নামজাদা চিত্র পরিচালক ও জনপ্রিয় অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন, তা এককথায় অসাধারণ। করিনা বলেছেন, তিনি শর্মিলার একজন বড় ভক্ত। শুধু তাই নয়, শর্মিলা তাঁর কাছে একজন ‘আইকন’। সম্প্রতি মুক্তির অপেক্ষায় করিনা ও সলমন অভিনীত ছবি ‘বজরঙ্গী ভাইজান’।

 
ধর্ষণের মামলা তুলতে নিগৃহীতাকে অপহরণের অভিযোগ,
 অভিযুক্ত গ্রেফতার জামাইবাবু
কলকাতা সংবাদদাতাঃ নিজের জামাইবাবুর হাতে দীর্ঘদিন ধরে নিগৃহীত হয়েছিলেন, ধর্ষিত হয়েছিলেন সেই মেয়ে। শেষ পর্যন্ত এন্টালি থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে জামাইবাবু ও তার দুই সঙ্গী গ্রেফতার হয় গত পয়লা মে। জেলবন্দি অবস্থাতেই সেই জামাইবাবু তার ঘনিষ্ঠদের মারফত নিগৃহীতা শালিকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। চাঞ্চল্যকরভাবে এন্টালি থানা এলাকারই ছাতুবাবুর বাজার এলাকা থেকে সোমবার দুপুরে ওই নিগৃহীতা তরুনীকে চার দুষ্কৃতী একটি গাড়িতে করে আচমকাই তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, গাড়ির মধ্যে ওই তরুনীর অশ্লীল ছবি তোলে অপহরণকারীরা। তারপর তাঁকে হাওড়া স্টেশনের সামনে গাড়ি থেকে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। সেখানেই হাওড়া জিআরপি-র এক কনস্টেবল অসহায় তরুণীকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে রেল পুলিশ থানায় নিয়ে যান। সেখানেই নিগৃহীতা সমস্ত ঘটনার বিবরণ দেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাও রুজু করে রেল পুলিশ। তারপরেই খবর পায় এন্টালি থানা। তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, বার বার তাঁকে ওই দুষ্কৃতীরা হুমকি দিয়েছে, আগামী ২৪ জুন আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য না দিতে। প্রসঙ্গত, পুলিশ সূত্রে খবর, জেলবন্দি জামাইবাবু সওকত শেখ-এর জামিনের আবেদনের শুনানি রয়েছে আগামী ২৪ জুন শিয়ালদার অতিরিক্ত জেলা বিচারক-এর আদালতে। সেখানে তরুণী সাক্ষ্য দিতে গেলে জামিন নাকচ হয়ে যাওয়ার তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে বলেই তরুণীর উপর চাপ সৃষ্টি করতে, তাঁকে ব্ল্যাকমেলের ভয় দেখাতেই এই অপহরণ জামাইবাবুর ঘনিষ্ঠরাই ঘটিয়েছে বলে পুলিশের অনুমান।
দুই পা হারিয়ে লাইনেই এক ঘণ্টা বসে রেলকর্মী
কলকাতা সংবাদদাতাঃ প্রাণ যায় যাক, ‘নিয়মটা’ থাক। কার্যত এমনই যুক্তিতে রেললাইনে পা কাটা পড়া এক কর্মীকে হাসপাতালে পৌঁছতেই প্রায় এক ঘণ্টা সময় নিল রেল।
কী ভাবে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং কোন হাসপাতালেই বা যাবেন, তাতেই গড়াল সময়। ততক্ষণ পূর্ব রেলের ওই কর্মী দু’টি কাটা পা নিয়ে অসহায় অবস্থায় যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকলেন রেললাইনের পাশেই। সোমবার অমানবিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন কয়েক জন রেলকর্মী ও রেলরক্ষী বাহিনীর জওয়ানেরা। আর নিয়মের যুক্তি দেখিয়ে নির্লিপ্ত থাকলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
এ দিন বেলা পৌনে এগারোটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া স্টেশন থেকে সওয়া কিলোমিটার দূরে পূর্ব রেলের টিকিয়াপাড়া কারশেডের কাছে। রেল সূত্রে খবর, অন্য দিন নিজের দফতরে হেঁটেই যেতেন পূর্ব রেলের টিকিয়াপাড়া কারশেডের সিএনডব্লিউ কোচিং বিভাগের কর্মী সুদামা প্রসাদ। এ দিন কারশেডগামী একটি ফাঁকা অমৃতসর মেলে চেপে পড়েন তিনি। যাওয়ার সময়ে ট্রেনটির গতিও কম ছিল। ঠিক কারশেডের কাছে আসতে ওই রেলকর্মী চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান। তখনই তাঁর দু’টি পা কাটা পড়ে।
পূর্ব রেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পরে মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত এই রেলকর্মীর ধাতস্থ হতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগে। আশপাশে কেউ না থাকায় প্রথমে তাঁকে সাহায্য করতে কেউ এগিয়ে আসেননি। তাই কোনও রকমে রেললাইনের পাশে নিজের শরীরটি টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে আসেন তিনি। এর পরে নিজেই তাঁর স্ত্রী ও দফতরের সহকর্মীদের কাছে সাহায্য চেয়ে মোবাইলে খবর পাঠান।
পূর্ব রেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটার বেশ কিছুক্ষণ পর গুরুতর আহত ওই রেলকর্মীকে প্রথম দেখতে পান এক আরপিএফ জওয়ান। যন্ত্রণায় কাতরানো ওই রেলকর্মীর কাছ থেকে ঘটনাটি জানার পরে তিনি সঙ্গে সঙ্গে আরপিএফ দফতরে ফোন করেন সাহায্যের জন্য। যে জায়গায় এই ঘটনাটি ঘটেছে, তার বাঁ দিকে আরও তিনটে লাইন পেরোলেই ইস্ট-ওয়েস্ট বাইপাস। সেই রাস্তা দিয়ে রেলের অর্থোপেডিক হাসপাতাল বা হাওড়া হাসপাতালে পৌঁছতে সময় লাগে মিনিট পনেরো। তাই তিনি ওই রাস্তা দিয়েই অ্যাম্বুল্যান্স পাঠাতে বলেন।
এ দিন ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে পূর্ণেন্দু কুমার নামে আরপিএফ-এর ওই কর্মী বলেন, ‘‘খবর দেওয়ার পরেই আরপিএফ দফতর থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ইস্ট-ওয়েস্ট বাইপাস দিয়ে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।’’ ঘটনাস্থলে আহতের সহকর্মীরা জানান, এ ভাবে নাকি আহত রেলকর্মীকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায় না। তাঁকে প্রথমে টিকিয়াপাড়া কারশেডের কাছে রেলের প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। এ সব করতে গিয়ে আরও সময় নষ্ট হয়ে যায়।
যেখানে ঘটনাটি ঘটে, সেখান থেকে লাইন ধরে হেঁটে টিকিয়াপাড়ার ওই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছতে সময় লাগবে প্রায় ২০ মিনিট। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে কী ভাবে নিয়ে যাওয়া হবে আহতকে? কারণ স্ট্রেচারে করে এতটা পথ নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই ঠিক হয় ওই রেলকর্মীকে নিয়ে যেতে আনা হবে আস্ত একটি ইঞ্জিন। সেই মতো টিকিয়াপাড়া কারশেডে থাকা একটি ইঞ্জিনও আনা হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দু’টি কাটা পা নিয়ে ওই আহত ব্যক্তিকে ইঞ্জিনে তুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন রেলের কর্মীরা। তাঁকে নিয়ে বারবার টানা-হ্যাঁচড়ার পরেও তাঁকে তুলতে না পেরে ঠিক হয় প্লাস্টিকে মুড়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে ইঞ্জিনে তোলা হবে তাঁকে। সেই মতো ফের কারশেড থেকে আনতে পাঠানো হয় প্লাস্টিক আর দড়ি। সে সব এলে অবশেষে আহত রেলকর্মীকে ইঞ্জিনে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় টিকিয়াপাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখান থেকে ফের অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া ময়দানের কাছে রেলের অর্থোপেডিক হাসপাতালে। ততক্ষণে বেজে গিয়েছে দুপুর ১২টা। দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে ওই ভাবে তাঁকে নিয়ে টানা-হ্যাঁচড়ার পরে স্বাভাবিক ভাবেই ততক্ষণে আরও কাহিল হয়ে পড়েছেন ওই রেলকর্মী।
এ দিন হাসপাতালে দাঁড়িয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলের এক কর্মী বলেন, ‘‘কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ও রেলের মান্ধাতা আমলের নিয়মের ফেরে যে ভাবে এক সহকর্মীর সঙ্গে অমানবিক আচরণ করতে হল, তা আমরা মেনে নিতে পারছি না। এই নিয়ম বদলানো প্রয়োজন।’’
এ দিকে, ট্রেনে কাটা পড়ে এক ঘণ্টা রেললাইনের ধারে পড়ে থাকার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ অফিসার রবি মহাপাত্র। তিনি বলেন, ‘‘আহত রেলকর্মীর এক ঘণ্টা পড়ে থাকার খবর ঠিক নয়। খবর পেয়েই তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে।’’ কিন্তু আহত রেলকর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে রেলের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াটা কী দস্তুর?
রবিবাবু বলেন, ‘‘আহত কম-বেশি যা-ই হোক, কোনও রেলকর্মীকেই সরাসরি বড় হাসপাতালে না গিয়ে প্রথমে রেলের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হয়। এটাই নিয়ম। তেমনটাই করা হয়েছে। এ জন্য কোনও দেরি হয়নি।’’
এ দিকে রেলের প্রাক্তন কর্তা সুভাষরঞ্জন ঠাকুর এই যুক্তি অবাস্তব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। বলেন, ‘‘এমন কোনও নিয়ম রেলে নেই। ঘটনার গুরুত্ব বুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।’’
 


হুমকি দেওয়া ছাড়াও এ দিন অভিষেক বলেন একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই মোদি সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সাহস দেখায়। অভিষেক বলেন, "সব রাজনৈতিক দল নরেন্দ্র মোদির পায়ে লুটিয়ে পড়েছে শুধু তৃণমূল ছাড়া।" মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিরোধীদের মধ্যে। স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তিতে তৃণমূল।


কার্ডে কেনাকাটা করলে ছাড় মিলবে আয়করে,

নতুনদিল্লি সংবাদদাতাঃ কেনাকাটার ক্ষেত্রে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করলে আয়করে ছাড় দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। কালো টাকার রমরমা রুখতে এবং নগদে লেনদেন বন্ধ করার লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের এই প্রস্তাব।
১ লক্ষ টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে কার্ডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার কথাও বলা হয়েছে এই প্রস্তাবে। শুধু সাধারণ গ্রাহকরাই নন, এই প্রস্তাব কার্যকরী হলে কার্ড মারফত লেনদেনে আগ্রহী ব্যবসায়ীরাও আয়করে  পাবেন আকর্ষণীয় ছাড়।  এই প্রস্তাব সম্পর্কে মতামত আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।  অনলাইনে my gov.in পোর্টালে লগ অন করে  মতামত জানানোর শেষ দিন  ২৯ জুন।

আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার
কলকাতা সংফবাদদাতাঃ বিয়েবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল বীরভূমের লাভপুরের তাঁতিনপাড়ায়। বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন নির্যাতিতা। গ্রেফতার হয়েছে চার অভিযুক্ত। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির শালড্যাংরায় কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল চার যুবক

২০১৪ বীরভূমের লাভপুরের সুবলপুরে আদিবাসী মহিলাকে গণধর্ষণের পর ফের গণধর্ষণের অভিযোগ। এবার লাভপুরেরই তাঁতিনপাড়া। বিয়েবাড়ি থেকে আদিবাসী  মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি নির্যাতিতা

শনিবার লাভপুর থানায় নেপাল মূর্মু, সোম মাদ্দি, দাবাই সোরেন, মুসুরি সোরেন, নিতাই মুর্মু, সোম মুর্মু সহ আরও একজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।  

অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির শালড্যাংরায় কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দুই যুবক। শুক্রবার সন্ধেয় ছয় যুবক ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। এখনও অধরা দুই