বোমা
মেরে থানা উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিতর্কে তৃণমূল ছাত্রনেতা
কলকাতা সংবাদদাতাঃ এর আগে পুলিশকে
বোমা মারার হুমকি দিয়েছিলেন দলের নেতা। এবার থানায় বোমা মারার হুমকি দিলেন
তৃণমূলের ছাত্র নেতা।
১৬ তারিখ, মঙ্গলবার দুপুরে রানিগঞ্জ টিডিবি কলেজে বিক্ষোভ
দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা। অনলাইনে ভর্তির নামে ছাত্রদের
হেনস্থা করা হচ্ছে এই অভিযোগে তাঁরা অধ্যক্ষকে ঘেরাও করেন। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে
ঘেরাও। রানিগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাদের গাড়ি আটকে রাখে তৃণমূল ছাত্র
পরিষদ। আর তারপরই প্রকাশ্যে পুলিশকে হুমকি। কেন, কলেজে পুলিশ ঢুকল, এই
প্রশ্ন করে সুর চড়ান তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রানিগঞ্জ ব্লক সভাপতি সৌমিত্র
বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুধু হুমকি দিয়েই
থামেননি, কেন পুলিশকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তাও দলীয় ছাত্র
সংগঠনের কর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা করেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা। বলেন, পুলিশকে ভয় পেও না। পুলিশ সরকারের চাকর। পুলিস কোনও দিন কিছু করতে পারবে
না। কেন তাদের বিক্ষোভ থামাতে কলেজে পুলিশ ঢুকেছে, এই প্রশ্ন
তুলে ফের পুলিশকে ফোনে হুমকি দেন টিএমসিপি নেতা সৌমিত্র বন্দ্যো পুলিশের গাড়ি
আটকে রেখে দিয়েছি। নিয়ে যাক ওসি।
এতকিছু বলা সত্ত্বেও পুলিশকে হুমকির কথা পরে অস্বীকার করেন
সৌমিত্র। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছে, যে দলের নেতা পুলিশকে বোমা মারুন বলে হুমকি দেন, সেই দলের ছাত্র নেতা যে থানায় বোমা মারার হুমকি দেবেন, সেটাই তো স্বাভাবিক। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতির দাবি, এই ঘটনার জেরে সৌমিত্রকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তা হলে একই ভাবে, পুলিশকে বোমা মারার হুমকি দেওয়া সত্ত্বেও কেন অনুব্রত মণ্ডলের পাশে
দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন অনুব্রতকেও সাসপেন্ড
করা হয়নি? অনুব্রত ভোটে জেতান বলেই কি তাঁর সাত খুন মাফ?
প্রশ্ন বিরোধীদের।

No comments:
Post a Comment