এ কথা আমরা অনেকেই জানি না যে, জ্যোতিষ শাস্ত্র পা-কে বিশেষ গুরত্বের সঙ্গে দেখে। জ্যোতিষ মতে, পাদুকা বা জুতোর সঙ্গে শনির ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ রয়েছে। ভুলভাল জুতো চরম দুর্ভাগ্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
পায়ের দিকে আমরা সচরাচর খেয়াল রাখি না। একটা দেখনশোভা জুতো পায়ে গলিয়েই আমরা ভেবে নিই খুব খানিকটা হয়েছে। বড় জোর পেডিকিওর করা পায়ের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নজাল বুনি। কিন্তু পায়ের যে অন্য মাহাত্ম্যও থাকতে পারে, তা নিয়ে আমরা কেউই তেমন একটা ভাবিত নই।
এ কথা আমরা অনেকেই জানি না যে, জ্যোতিষ শাস্ত্র পা-কে বিশেষ গুরত্বের সঙ্গে দেখে। জ্যোতিষ মতে, পাদুকা বা জুতোর সঙ্গে শনির ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ রয়েছে। শনির কোপ থেকে মুক্তির একটি উপায় হল দরিদ্র অথবা ব্রাহ্মণকে পাদুকা প্রদান করা।
বাস্তুশাস্ত্র আরও এক কদম এগিয়ে জানায়, পা বা জুতো আমাদের নিয়তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ভুলভাল জুতো চরম দুর্ভাগ্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
দেখে নেওয়া যাক, কী জানায় বাস্তুশাস্ত্র জুতোর ব্যাপারে।
বাস্তু মতে, চুরি করা বা উপহারে প্রাপ্ত জুতো না পরাই মঙ্গল। এতে আপনি বার বার লক্ষ্যচ্যুত হবেন, কেরিয়ারও বেপথু হয়ে পড়বে।
কাজের জায়গায় ব্রাউন রঙের জুতো পরে যাওয়ার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করে বাস্তু। এতে কাজ পণ্ড হতেই পারে।
ব্যাঙ্কিং বা শিক্ষাজগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য কর্মস্থলে কফি রঙের জুতো নিষিদ্ধ। পরলে দুর্ভাগ্য অবশ্যম্ভাবী।
মেডিক্যাল পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ভুলেও যেন সাদা জুতো না পরেন। আর্থিক বিপর্যয় ঘটবেই।
খাবার খেতে খেতে জুতো পরা নিয়ে আপত্তি জানায় বাস্তু। এতে নেগেটিভ এনার্জি জন্ম নেয়।
জুতোর র্যাকে জুতো রাখার ব্যাপারে বাস্তু জানাচ্ছে যে, উত্তর-পশ্চিম দিকে মুখ করে জুতো না রাখাই ভাল। এই দিককে সূর্যালোক প্রথম স্পর্শ করে। সেখানে জুতো রাখলে নেগেটিভ এনার্জি জন্ম নেয়।
ছেঁড়া জুতো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফেলে দিন। এমন জুতো আপনাকে নিঃস্ব করে ফেলতে পারে।
টেবিলে বা বিছানায় জুতো রাখবেন না। এতে ডেথ এনার্জি জন্ম নেয়, যা কেবল আর্থিক নয়, সার্বিকভাবেই ক্ষতিকর।
No comments:
Post a Comment