তার প্রতি এই বিরূপ মনভাবের কারণ সে রূপান্তরকামী এবং সমাজ এখনও তাদের মেনে নিতে পারে না। তা ছাড়া, জেলে রূপান্তরকামীদের জন্য যোগ্য পরিকাঠামো নেই এ দেশে, জানিয়েছেন 'অল্টারনেট ল ফোরাম'-এর এক আইনজীবী।
তাঁদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তা সত্ত্বেও যত্রতত্র হেনস্থার শিকার হতে হয়। এমনই এক ঘটনার সাক্ষী রইল বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল প্রিজন।
গত ২৭ নভেম্বর, চারজন রূপান্তরকামীকে নিয়ে যাওয়া হয় বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল প্রিজনে। চুরি-ডাকাতির সঙ্গে অপহরণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল এই চারজনের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে একজন ১৯ বছরের ইশু। জেলে নিয়ে যাওয়ার পরেই ইশু তার শারীরিক কিছু অসুবিধার কথা জানায় কর্তৃপক্ষকে।
স্তন গঠনের জন্য নিজের শরীরে যে সিলিকন ইমপ্লান্ট করে ইশু, তাতে ইনফেকশন হওয়ার কথা জানায় জেলের মেডিক্যাল অফিসারকে। ডাক্তার তাকে সাধারণ কিছু পেনকিলার দেন কয়েকজিনের জন্য। কিন্তু তাতে কোনও ফল না হওয়ায়, শেষমেষ ইশুকে জেলের বাইরে পাঠানো হয় চিকিত্সার জন্য।
ইশুর বক্তব্য, তার প্রতি এই বিরূপ মনভাবের কারণ সে রূপান্তরকামী এবং সমাজ এখনও তাদের মেনে নিতে পারে না। তা ছাড়া, জেলে রূপান্তরকামীদের জন্য যোগ্য পরিকাঠামো নেই এ দেশে, জানিয়েছেন 'অল্টারনেট ল ফোরাম'-এর এক আইনজীবী। এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বেঙ্গালুরুর পারাপ্পানা অগ্রহারা জেলে বর্তমানে ৬ জন রূপান্তরকামী রয়েছেন। ইশুর সমস্যা নিয়ে তাদের মতামত চাওয়ায়, জেল কর্তৃপক্ষ তা নাকচ করে দেয় বলে জানা গেছে।
এ যাবত্, কেবলমাত্র কর্নাটকেই রয়েছে রূপান্তরকামীদের জন্য আলাদা সেল।

No comments:
Post a Comment