কিছুদিন আগে জয়পুরে 'পদ্মাবতী'-র শ্যুটিং চলাকালীন কার্নি সেনার হাতে নিগৃহীত হতে হয় সঞ্জয় লীলা বনশালীকে। এবার সেই সেনার কথামতোই চলতে হবে তাঁকে?
কিছুদিন আগে তাঁকে নিজের ইউনিটের সামনে চড়-থাপ্পড় খেতে হয়েছে। গত ২৭ জানুয়ারি, উন্মত্ত কার্নি সেনা সমর্থকরা তাঁরা জামা-কাপড় ছিঁড়ে দিয়েছিলেন। জয়পুরের জয়গড় ফোর্টে রণবীর-দীপিকা অভিনীত 'পদ্মাবতী' ছবির শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন বনশালী। হঠাত্ই সেখানে ঢুকে পড়ে উন্মত্ত তাণ্ডব চালায় কার্নি সেনা-বাহিনী। তার পরেই জয়পুর থেকে ইউনিট সরিয়ে নিয়ে চলে আসা হয়। ফিল্ম অ্যান্ড প্রোডিউসার্স গিল্ড অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি সিদ্ধার্থ রায় কপূর এই প্রসঙ্গে একটি বিবৃতিতে গোটা ঘটনাটির নিন্দা করেন।
বলা যায় গোটা বলিউড বনশালীর পাশে দাঁড়ায় কিন্তু তাও সেই কার্নি সেনার কাছে মাথা নোওয়াতেই হল তাঁকে।
বনশালী তাঁর 'পদ্মাবতী' ছবিতে আলাউদ্দিন খলজি-র সঙ্গে রাজপুত রানি পদ্মিনীর একটি রোম্যান্টিক ট্র্যাক রাখছেন বলে অভিযোগ কার্নি সেনার। তাদের বক্তব্য, বনশালী ইতিহাস বিকৃত করে রাজপুত রানির চরিত্র কালিমালিপ্ত করছেন এবং তার ভিত্তিতেই শ্যুটিং স্পটে এই তাণ্ডব। শুধুমাত্র বনশালীকে
কিন্তু এই অপ্রীতিকর ঘটনার পরে বনশালীকে একটি মধ্যস্থতায় আসতে হয়েছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বনশালী ও কার্নি সেনার মধ্যে একটি সমঝোতা ঘটেছে। কার্নি সেনার মূল তিনটি দাবি ছিল- পদ্মাবতীর কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকবে না, ইতিহাস বিকৃত করা যাবে না এবং ছবির নাম 'পদ্মাবতী' রাখা যাবে না। শোনা যাচ্ছে, বনশালী ছবির নাম বদলাতে রাজি হয়েছেন।
'পদ্মাবতী' বনশালীর একটি ড্রিম প্রজেক্ট। এই নামের একটি মিউজিক্যাল তাঁর প্রযোজনা ও পরিচালনায় আন্তর্জাতিক স্তরে অত্যন্ত সমাদৃত। বাংলার তনুশ্রী শঙ্করও সেই প্রজেক্টের কোরিওগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন। বিদেশে এই মিউজিক্যাল নাটকটির শো বরাবরই হাউসফুল থেকেছে। এতদিন পরে সেই ড্রিম প্রজেক্টকেই চলচ্চিত্রে পরিবেশন করতে চলেছেন বনশালী।
No comments:
Post a Comment