কোনও ছবির প্রস্তাব নেই? থোড়াই কেয়ার! খবরের শিরোনামে নিজেদের কীভাবে ধরে রাখতে হয়, এই তারকারা তা বিলক্ষণ জানেন। কেউ টুইটারে অন্য তারকাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান, তো কেউ ভারতের ক্রিকেট দল বিশ্বকাপ জিতলে নগ্ন হয়ে রাস্তায় দৌড়বেন বলে কথা দেন। হলিউডেও এমন উদাহরণ কম নেই। জনতার 'অ্যাটেনশন' পেতে মরিয়া এমন তারকাদের তালিকা।
তিনি নাকি টাকার বিনিময়ে অনেক পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয়েছেন। এক সাক্ষাত্কারে এমনই একখানা বোমা ফাটিয়েছিলেন শার্লিন চোপড়া। ২০০২ সালে তেলুগু ছবি 'ভেন্দি মাব্বু'র হাত ধরে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। এখনও অবধি অনেক ছবিতে কাজও করেছেন। কিন্তু অভিনেত্রী হিসেবে নয়, বরং বিতর্কিত চরিত্র হিসেবেই তাঁর পরিচিতি বেশি।অ্যাডাস্ট ম্যাগাজিন 'প্লেবয়'এর নগ্ন মডেল হয়েছেন তিনি। এমনকী, 'কামসূত্র থ্রি-ডি' ছবিতে অনাবৃত উর্ধ্বাঙ্গে বড় পরদাতেও উপস্থিত হয়েছিলেন শার্লিন।
বড় পরদায় অভিনয়ের প্রস্তাব থাক বা না থাক, জনপ্রিয়তা কীভাবে ধরে রাখতে হয় তা পুনম পাণ্ডে ভাল মতোই জানেন। শুরুটা সেই ২০১১ সালে। ভারত ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতলে তিনি নগ্ন হয়ে রাস্তায় দৌড়বেন, ভক্তদের এমনই কথা দিয়েছিলেন পুনম। যদিও ভারত জয়ী হলেও, তিনি কথা রাখেননি। প্রায় প্রতিদিন টুইটারে নিজের উষ্ণ ছবি পোস্ট করেন তিনি। ২০১৩ সালে 'নশা'র পর বলিউডে তাঁর সেভাবে দেখা মেলেনি। যাই হোক, ইউটিউবে 'বাথরুম সিক্রেট্স' ভিডিও পোস্ট করেই খবরের শিরোনামে রয়েছেন পুনম।
খবরের শিরোনামে থাকতে গেলে ঠিক যেগুলো করা প্রয়োজন, প্রত্যেকটিই করে ফেলেছেন রাখি সাওয়ন্ত। শরীরে শল্যচিকিত্সা নিয়ে মন্তব্য, বিতর্কিত ভিডিও, গায়ক মিকা সিংহের সঙ্গে প্রকাশ্যে 'লিপ-লক' চুমু, সংবাদমাধ্যমকে বাড়িতে ডেকে প্রেমিককে একহাত নেওয়া- কী করেননি তিনি! আর অভিনয়? বেশ কয়েকটি ছবিতে মুখ দেখিয়েছেন বটে, তবে তাঁর অভিনয় দর্শকের মনে দাগ কাটেনি একেবারেই। বরং, বোল্ড-ডিভা হিসেবেই দর্শকের মনে তাঁর জায়গাটা বেশি পোক্ত।
তাঁর পরিচয় একটাই। রিয়্যালিটি টেলিভিশন তারকা। কিম এবং তাঁর পরিবারের জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে, যে তাঁদের নিয়ে আস্ত একটা শো বানানোও হয়ে গিয়েছে। 'কিপিং
ছোট করে তিনি নিজের নাম রেখেছেন কেআরকে। কেন? নিন্দকের মতে, এসআরকে'র (শাহরুখ খান) অনুকরণ আরকী! সারা বলিউড ঢুঁড়ে ফেললেও এমন একজন তারকাও সম্ভবত মিলবে না, যিনি কখনও কমল রশিদ খানকে একহাত নেননি! সোনাক্ষী সিংহ থেকে শুরু করে ধনুশ- তালিকায় কে নেই! নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি দেশ ছাড়বেন, ফলাও করে টুইটারে জানিয়েছিলেন কমল। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশ ছা়ড়ার ছবি টুইট অবধি করেছিলেন তিনি। যদিও তার কিছুদিন পরই দেশে ফেরেন। কেন? যে প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়েতে বসেছিলেন জনপ্রিয় এই মার্কিন মডেল। তাঁর স্বামীর বয়স ৫১ বছর। বোল্ড মডেল হিসেবে ভালই কাজ করছিলেন। কিন্তু কেন যে হঠাত্ বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বসলেন, শত ভেবেও তার উত্তর পাননি কোর্টনির গুণমুগ্ধরা। আপাতত বিভিন্ন মার্কিন রিয়্যালিটি শো'এ নিয়মিত মুখ দেখান তিনি। বছর দেড়েক আগে ঘোষণা করেছিলেন, যে তিনি আমিষ খাওয়া ছাড়ছেন। শোনা যায়, শুধু লাইমলাইটে থাকতেই এমনটা করেছিলেন। এছাড়াও এক সাক্ষাত্কারে কোর্টনি মন্তব্য করেছিলেন, ''সেক্স অ্যাকচুয়ালি সেল্স!''
বড় পরদায় অভিনয়ের প্রস্তাব থাক বা না থাক, জনপ্রিয়তা কীভাবে ধরে রাখতে হয় তা পুনম পাণ্ডে ভাল মতোই জানেন। শুরুটা সেই ২০১১ সালে। ভারত ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতলে তিনি নগ্ন হয়ে রাস্তায় দৌড়বেন, ভক্তদের এমনই কথা দিয়েছিলেন পুনম। যদিও ভারত জয়ী হলেও, তিনি কথা রাখেননি। প্রায় প্রতিদিন টুইটারে নিজের উষ্ণ ছবি পোস্ট করেন তিনি। ২০১৩ সালে 'নশা'র পর বলিউডে তাঁর সেভাবে দেখা মেলেনি। যাই হোক, ইউটিউবে 'বাথরুম সিক্রেট্স' ভিডিও পোস্ট করেই খবরের শিরোনামে রয়েছেন পুনম।
খবরের শিরোনামে থাকতে গেলে ঠিক যেগুলো করা প্রয়োজন, প্রত্যেকটিই করে ফেলেছেন রাখি সাওয়ন্ত। শরীরে শল্যচিকিত্সা নিয়ে মন্তব্য, বিতর্কিত ভিডিও, গায়ক মিকা সিংহের সঙ্গে প্রকাশ্যে 'লিপ-লক' চুমু, সংবাদমাধ্যমকে বাড়িতে ডেকে প্রেমিককে একহাত নেওয়া- কী করেননি তিনি! আর অভিনয়? বেশ কয়েকটি ছবিতে মুখ দেখিয়েছেন বটে, তবে তাঁর অভিনয় দর্শকের মনে দাগ কাটেনি একেবারেই। বরং, বোল্ড-ডিভা হিসেবেই দর্শকের মনে তাঁর জায়গাটা বেশি পোক্ত।
তাঁর পরিচয় একটাই। রিয়্যালিটি টেলিভিশন তারকা। কিম এবং তাঁর পরিবারের জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে, যে তাঁদের নিয়ে আস্ত একটা শো বানানোও হয়ে গিয়েছে। 'কিপিং
ছোট করে তিনি নিজের নাম রেখেছেন কেআরকে। কেন? নিন্দকের মতে, এসআরকে'র (শাহরুখ খান) অনুকরণ আরকী! সারা বলিউড ঢুঁড়ে ফেললেও এমন একজন তারকাও সম্ভবত মিলবে না, যিনি কখনও কমল রশিদ খানকে একহাত নেননি! সোনাক্ষী সিংহ থেকে শুরু করে ধনুশ- তালিকায় কে নেই! নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি দেশ ছাড়বেন, ফলাও করে টুইটারে জানিয়েছিলেন কমল। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশ ছা়ড়ার ছবি টুইট অবধি করেছিলেন তিনি। যদিও তার কিছুদিন পরই দেশে ফেরেন। কেন? যে প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়েতে বসেছিলেন জনপ্রিয় এই মার্কিন মডেল। তাঁর স্বামীর বয়স ৫১ বছর। বোল্ড মডেল হিসেবে ভালই কাজ করছিলেন। কিন্তু কেন যে হঠাত্ বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বসলেন, শত ভেবেও তার উত্তর পাননি কোর্টনির গুণমুগ্ধরা। আপাতত বিভিন্ন মার্কিন রিয়্যালিটি শো'এ নিয়মিত মুখ দেখান তিনি। বছর দেড়েক আগে ঘোষণা করেছিলেন, যে তিনি আমিষ খাওয়া ছাড়ছেন। শোনা যায়, শুধু লাইমলাইটে থাকতেই এমনটা করেছিলেন। এছাড়াও এক সাক্ষাত্কারে কোর্টনি মন্তব্য করেছিলেন, ''সেক্স অ্যাকচুয়ালি সেল্স!''
শুধু ফ্যান-ফলোয়িং বাড়াবেন বলেই নাকি তিনি নিজের সেক্সটেপ বাজারে ছেড়েছিলেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মা হয়েছিলেন ফারাহ। তবে তাতে তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি কোনওদিনই। ফারাহের এমন জনপ্রিয়তায় কথা মাথায় রেখে তাঁকে নিয়ে একাধিক শো'ও করেছে একাধিক মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তে ছবি আপলোড করেন ফারাহ। আর তাতেই চড়চড়িয়ে বাড়ে তাঁর জনপ্রিয়তা।

No comments:
Post a Comment