হুগলিঃ পশ্চিমবঙ্গের একটি জুট মিলের কর্তাকে রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, ইঁট দিয়ে থেঁতলে খুন করল শ্রমিকরা। আক্রান্ত ওই মিল কর্তাকে বাঁচাতে গিয়ে উম্মত্ত শ্রমিকের হাতে আক্তান্ত হন আরো ৫ কর্তা। তাঁরাও গুরুতর ভাবে জখম হয়েছে। উদ্ধার করে এলাকার মানুষ স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে ছিলেন। পরে সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকালে কলকাতার হাস পাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে হুগলি জেলার ভদ্রেশ্বরে নর্থবুক জুটমিলে। মৃতের ব্যাক্তি জুটমিলের সিইও ছিলেন। নাম, এইচ কে মহেশ্বরী। কারখানায় কাজের সময় বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে শ্রমিক-মালিক গন্ডগোলের জেরেই এই খুন বলে পুলিশ মনে করছে। এই ঘটনার পর পুলিশ একটি খুনের মামলা দায়ের করেছে। এদিন রাত পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্পাদন বেশি হওয়ার কারণে সপ্তাহে ৩-৪ দিন কারখানা খোলা রাখার প্রস্তাব দেয় মালিকপক্ষ৷ কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে তা মানতে চাননি শ্রমিকরা৷ এদিন দুপুরে এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়৷ অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই উত্তেজিত হয়ে মারমুখী হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা৷ রাস্তায় ফেলে ইঁট ছুঁড়ে ছুঁড়ে মারা হয় তাঁকে। রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও পাথর দিয়ে থেঁতলে মারা হয় মালিকপক্ষের ওই আধিকারিককে। মারখায় অন্যান্য প্রতিনিধিদের৷ কলকাতায় আনার পথে মৃত্যু হয় মাহেশ্বরীর৷
হুগলির ভদ্রেশ্বরে জুটমিল কর্তা খুনের ঘটনায় পুলিশকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নবান্ন সূত্রে খবর, পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন অমিত মিত্র৷ তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, খুনের নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি এবং সিপিএমের শ্রমিক ইউনিয়ন৷ যদিও, অভিযোগ অস্বীকার করে সিটু নেতা শ্যামল চক্রবর্তীর দাবি, তাঁদের ফাঁসিয়ে জেলে ঢোকানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে৷ বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, বিজেপির উত্থানে ভয় পাচ্ছে তৃণমূল, তাই মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে৷ জুটমিল কর্তার খুনের ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য৷
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্পাদন বেশি হওয়ার কারণে সপ্তাহে ৩-৪ দিন কারখানা খোলা রাখার প্রস্তাব দেয় মালিকপক্ষ৷ কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে তা মানতে চাননি শ্রমিকরা৷ এদিন দুপুরে এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়৷ অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই উত্তেজিত হয়ে মারমুখী হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা৷ রাস্তায় ফেলে ইঁট ছুঁড়ে ছুঁড়ে মারা হয় তাঁকে। রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও পাথর দিয়ে থেঁতলে মারা হয় মালিকপক্ষের ওই আধিকারিককে। মারখায় অন্যান্য প্রতিনিধিদের৷ কলকাতায় আনার পথে মৃত্যু হয় মাহেশ্বরীর৷
হুগলির ভদ্রেশ্বরে জুটমিল কর্তা খুনের ঘটনায় পুলিশকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নবান্ন সূত্রে খবর, পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে৷ সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন অমিত মিত্র৷ তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, খুনের নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি এবং সিপিএমের শ্রমিক ইউনিয়ন৷ যদিও, অভিযোগ অস্বীকার করে সিটু নেতা শ্যামল চক্রবর্তীর দাবি, তাঁদের ফাঁসিয়ে জেলে ঢোকানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে৷ বিজেপি নেতা তথাগত রায়ের প্রতিক্রিয়া, বিজেপির উত্থানে ভয় পাচ্ছে তৃণমূল, তাই মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে৷ জুটমিল কর্তার খুনের ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য৷

No comments:
Post a Comment