জয়দেব দাস, কলকাতা: কেয়ার অফ ফুটপাত৷ কিন্তু স্বপ্ন আমেরিকা যাত্রা৷ অবেশেষে স্বপ্ন পূরণ৷ মেধার জোরে আমেরিকায় পড়তে যাচ্ছেন ধর্মতলা ফুটপাতের বাসিন্দা অ্যাঞ্জেলা বার্নাডেট৷ ফিরে এসে শিক্ষিকা হতে চান তিনি৷
তিন বছর বয়সে তাঁকে ধর্মতলার ফুটপাত থেকে কুড়িয়ে নিয়ে যায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা৷ ভর্তি করা হয় শিয়ালদহের লরেটো স্কুলে৷ ২০১২ সালে তিনি উচচমাধ্যমিক পাস করেন৷ স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁকে আমেরিকায় পড়তে যাওয়ার আবেদন করতে বলে৷ পরীক্ষা এবং সাক্ষাৎকারের পর সেই সুযোগ এসে যায় অ্যাঞ্জেলার কাছে৷ আগামী অগাস্ট মাসে আমেরিকা পাড়ি দিচ্ছেন উনিশের অ্যাঞ্জেলা৷আমেরিকার ওয়াশিংটনে ‘আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেশন’ বিষয়ে এক বছরের সার্টিফিকেট কোর্স করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি৷ জানিয়েছেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর শিলিগুড়িতে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে চাকরি পাই৷ মাসখানেক আগে জানতে পারি স্কলারশিপ-সহ আমেরিকায় পড়তে যেতে পারব৷ এটি আমার কাছে অত্যন্ত বড় ঘটনা৷ দেশে ফিরে আমি শিক্ষকতার পেশা বেছে নেব৷’ ছোটবেলায় মা ও দাদার সঙ্গে ফুটপাতে থাকতেন অ্যাঞ্জেলা৷এখন অবশ্য আর ফুটপাতে বাস করতে হয় না অ্যাঞ্জেলাকে৷কিন্তু নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে৷ দাদা একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন৷ দমদমে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন তাঁরা৷স্কুলে পড়াকালীন পথশিশুদের ইংরেজি পড়াতেন অ্যাঞ্জেলা৷ পড়ানোর কাজই ভাল লাগে বলে জানিয়েছেন তিনি৷
তিন বছর বয়সে তাঁকে ধর্মতলার ফুটপাত থেকে কুড়িয়ে নিয়ে যায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা৷ ভর্তি করা হয় শিয়ালদহের লরেটো স্কুলে৷ ২০১২ সালে তিনি উচচমাধ্যমিক পাস করেন৷ স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁকে আমেরিকায় পড়তে যাওয়ার আবেদন করতে বলে৷ পরীক্ষা এবং সাক্ষাৎকারের পর সেই সুযোগ এসে যায় অ্যাঞ্জেলার কাছে৷ আগামী অগাস্ট মাসে আমেরিকা পাড়ি দিচ্ছেন উনিশের অ্যাঞ্জেলা৷আমেরিকার ওয়াশিংটনে ‘আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেশন’ বিষয়ে এক বছরের সার্টিফিকেট কোর্স করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি৷ জানিয়েছেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর শিলিগুড়িতে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে চাকরি পাই৷ মাসখানেক আগে জানতে পারি স্কলারশিপ-সহ আমেরিকায় পড়তে যেতে পারব৷ এটি আমার কাছে অত্যন্ত বড় ঘটনা৷ দেশে ফিরে আমি শিক্ষকতার পেশা বেছে নেব৷’ ছোটবেলায় মা ও দাদার সঙ্গে ফুটপাতে থাকতেন অ্যাঞ্জেলা৷এখন অবশ্য আর ফুটপাতে বাস করতে হয় না অ্যাঞ্জেলাকে৷কিন্তু নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে৷ দাদা একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন৷ দমদমে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন তাঁরা৷স্কুলে পড়াকালীন পথশিশুদের ইংরেজি পড়াতেন অ্যাঞ্জেলা৷ পড়ানোর কাজই ভাল লাগে বলে জানিয়েছেন তিনি৷
No comments:
Post a Comment