দিল্লিঃ দিল্লির ময়ূর বিহার এক্সটেনশন এলাকায় ব্যাগের ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক মহিলার মৃতদেহ৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দিল্লির ওই জনবহুল এলাকায়। মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের কাছে কিছু ভর্তি ব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে ট্রেনযাত্রীরাই পুলিশকে খবর দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে দিল্লি পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে৷ ব্যাগ খুলেই মৃত মহিলার বেরিয়া আসে। দেহটি সনাক্তকরণ করার জন্য পুলিশ মেট্রো স্টেশনের কাছে লাগানো সিসিটিভ ফুটেজ বের করলে খুনের কিনারা সম্ভব হয়৷ প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পারে এটি একটি খুনের ঘটনা। এর ঘট্মনার সঙ্গে তাঁর স্বামী জড়িত রয়েছে। পুলিশ মহিলার স্বামীকে গ্রেফতার করে৷
পুলিশ এবং স্থানীয় সুত্রে জানাগিয়েছে, মৃতার বয়স ২২ বছরের কাছাকাছি৷ প্রায় সাত মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়েছে৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অবৈধ সম্পর্কের কারণেই এই খুন করা হয়েছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার স্বামীর অন্য এক মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল৷ এই কারণেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত৷ বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে৷ স্বামীর উপর রাগ করেই ওই মহিলা আলাদা থাকতে শুরু করেছিলেন৷ প্রায় তিন দিন আগে ওই মহিলা হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান৷ মহিলার পরিজনেরা তাঁর স্বামীর কাছে মহিলার খোঁজ করলে সে কিছুই জানে না বলেই দাবি করে৷ মঙ্গলবার সকালে মেট্রো স্টেশনের কাছে মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ৷ তদন্ত শুরু করে তারা সিসিটিভি ও মোবাইল লোকেশনের মাধ্যমে তারা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে নেয়৷ মহিলার পরিবার জানিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়ে গিয়েছিল৷ তাঁর স্বামীই ওই মহিলাকে খুন করেছে বলে প্রিবারের দাবি।পুলিশ খুনের প্রকৃতি জানতে মৃতদেহটি ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সুত্রে জানাগিয়েছে, মৃতার বয়স ২২ বছরের কাছাকাছি৷ প্রায় সাত মাস আগে তাঁর বিয়ে হয়েছে৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অবৈধ সম্পর্কের কারণেই এই খুন করা হয়েছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার স্বামীর অন্য এক মহিলার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল৷ এই কারণেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত৷ বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে৷ স্বামীর উপর রাগ করেই ওই মহিলা আলাদা থাকতে শুরু করেছিলেন৷ প্রায় তিন দিন আগে ওই মহিলা হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান৷ মহিলার পরিজনেরা তাঁর স্বামীর কাছে মহিলার খোঁজ করলে সে কিছুই জানে না বলেই দাবি করে৷ মঙ্গলবার সকালে মেট্রো স্টেশনের কাছে মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ৷ তদন্ত শুরু করে তারা সিসিটিভি ও মোবাইল লোকেশনের মাধ্যমে তারা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে নেয়৷ মহিলার পরিবার জানিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়ে গিয়েছিল৷ তাঁর স্বামীই ওই মহিলাকে খুন করেছে বলে প্রিবারের দাবি।পুলিশ খুনের প্রকৃতি জানতে মৃতদেহটি ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে।
No comments:
Post a Comment