কলকাতাঃ সরকারি কাজকর্মে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাষা হিসেবে হিন্দিকে তুলে ধরার জন্য বিজেপির সরকার উদ্যোগী হয়েছে। এখন থেকে ভারতে ইংরেজী ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষা এবং হিন্দিকে প্রধান হিসাবে ব্যবহার করাতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। মোদী সরকারের এই প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। কেন্দ্রের এই পরিকল্পনা নিয়ে চারদিকে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। প্রতিবাদ মূলত আসছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি থেকে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে আবেদন করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন ইংরেজিকেই ভাষা হিসেবে রাখা হয়। সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয় ফেসবুক, টুইট্যার, গুগল ব্লগ ও ইউটিউবের প্রধান ভাষা হিন্দি রেখে ইংরেজিকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে রাখা হবে। এর বিরুদ্ধেই প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। জয়ললিতার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের এই বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদ করেন করুণানিধি, রামাডস এবং ওমর আবদুল্লা। অ-হিন্দি বলয় রাজ্যগুলির অভিযোগ, এর মাধ্যমে হিন্দিকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। যদিও এদিন সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে কেন্দ্র। এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, আঞ্চলিক ভাষাকে কোনওভাবেই খাটো করতে চাইছে না কেন্দ্রীয় সরকার। তারা শুধু চাইছে জাতীয় ভাষা হিন্দিকে প্রচার করতে। পাশাপাশি বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নাকভিও জানান, হিন্দিভাষীরা অশিক্ষিত, এই ধারনাকে পালটানোর জন্যই কেন্দ্র এই প্রচারাভিযান চালিয়েছে। এরসঙ্গেই তিনি যোগ করেন, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নির্দেশ শুধু সেই সব রাজ্যেই, যেখানে হিন্দি ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম।Saturday, 21 June 2014
হিন্দি ভাষা নিয়ে তুলকালাম গোটা হিন্দুস্তান
কলকাতাঃ সরকারি কাজকর্মে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাষা হিসেবে হিন্দিকে তুলে ধরার জন্য বিজেপির সরকার উদ্যোগী হয়েছে। এখন থেকে ভারতে ইংরেজী ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষা এবং হিন্দিকে প্রধান হিসাবে ব্যবহার করাতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। মোদী সরকারের এই প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। কেন্দ্রের এই পরিকল্পনা নিয়ে চারদিকে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। প্রতিবাদ মূলত আসছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি থেকে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে আবেদন করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন ইংরেজিকেই ভাষা হিসেবে রাখা হয়। সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয় ফেসবুক, টুইট্যার, গুগল ব্লগ ও ইউটিউবের প্রধান ভাষা হিন্দি রেখে ইংরেজিকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে রাখা হবে। এর বিরুদ্ধেই প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। জয়ললিতার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রের এই বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদ করেন করুণানিধি, রামাডস এবং ওমর আবদুল্লা। অ-হিন্দি বলয় রাজ্যগুলির অভিযোগ, এর মাধ্যমে হিন্দিকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। যদিও এদিন সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে কেন্দ্র। এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, আঞ্চলিক ভাষাকে কোনওভাবেই খাটো করতে চাইছে না কেন্দ্রীয় সরকার। তারা শুধু চাইছে জাতীয় ভাষা হিন্দিকে প্রচার করতে। পাশাপাশি বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নাকভিও জানান, হিন্দিভাষীরা অশিক্ষিত, এই ধারনাকে পালটানোর জন্যই কেন্দ্র এই প্রচারাভিযান চালিয়েছে। এরসঙ্গেই তিনি যোগ করেন, সোশ্যাল মিডিয়ার এই নির্দেশ শুধু সেই সব রাজ্যেই, যেখানে হিন্দি ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment