জয়দেব দাস, কলকাতাঃ ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর পুরুষের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ কি যুক্তিযুক্ত? একটি মামলার শুনানিতে এমনই প্রশ্ন ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের। প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনছেন মহিলারা। এ ব্যাপারে কোনও নির্দেশ না-দিলেও, এ ধরনের মামলাই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কাছে।
এখন প্রায়ই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ সামনে আসে। গত বছর একটি মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে। হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছিল, প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ এবং কাউকে উত্ত্যক্ত করতে, এমনকি পুরুষদের বিয়ের জন্য বাধ্য করতে ধর্ষণের মামলাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুক্রবার একটি আই ডি এফ সি ব্যাঙ্কার এবং এক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনের প্রাক্তন ক্রু মেম্বারের ব্যর্থ সম্বন্ধের মামলার শুনানি করছিল সুপ্রিম কোর্ট। ব্যাঙ্কারের তরফে যুক্তি পেশ করা হয় যে, শিক্ষিত ক্রু মেম্বারটি জানতেন যে তিনি বিবাহিত এবং তাঁর দুটি সন্তান আছে। তিনি এ-ও বলেন যে, 'আমার জন্য এই তথ্য লুকনোও সহজ ছিল না। এই পরিস্থিতিতে আমি কী ভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করতে পারি?' অন্য দিকে ওই মহিলার অভিযোগ, ব্যাঙ্কার তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরে গোপনে একটি ভিডিও বানিয়ে তা সার্কুলেট করার হুমকি দিয়ে তাঁর যৌন শোষণ করতেন।
ওই ব্যাঙ্কারের আইনজীবী, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সিদ্ধার্থ লুথরা বলেন, 'বিয়ের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ' করার ওপর ভিত্তি করেই ব্যাঙ্কারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি বিক্রমজীত সেন এবং বিচারপতি এস কে সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন করে যে, কবে (কোন কোর্ট দ্বারা) বলা হয়েছে, ২ বছরের সম্পর্ক পরে ভেঙে গেলে, ধর্ষণের অভিযোগ আনা যেতে পারে?
সম্পর্ক ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করার কী কারণ হতে পারে, সে প্রসঙ্গেই গত বছর প্রশ্ন করেছিল দিল্লি হাইকোর্ট। কোর্টের তরফে বলা হয়েছিল, 'এমন অনেক মামলাই দেখা যাচ্ছে, যেখানে মহিলারা সহমতিতে সহবাস করেন এবং সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আইনকে হাতিয়ার করেন। টাকা আদায় বা পুরুষকে বিয়ের জন্য বাধ্য করতে এমন করা হয়।'
সে সময় ট্রায়াল কোর্টগুলিকে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, এমন মামলায় তারা যেন অভিযোগকারিণীর মনোভাব ভালো করে খতিয়ে দেখুক। পাশাপাশি অভিযোগ সত্যি, না উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা-ও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।
এখন প্রায়ই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ সামনে আসে। গত বছর একটি মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে। হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছিল, প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ এবং কাউকে উত্ত্যক্ত করতে, এমনকি পুরুষদের বিয়ের জন্য বাধ্য করতে ধর্ষণের মামলাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুক্রবার একটি আই ডি এফ সি ব্যাঙ্কার এবং এক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনের প্রাক্তন ক্রু মেম্বারের ব্যর্থ সম্বন্ধের মামলার শুনানি করছিল সুপ্রিম কোর্ট। ব্যাঙ্কারের তরফে যুক্তি পেশ করা হয় যে, শিক্ষিত ক্রু মেম্বারটি জানতেন যে তিনি বিবাহিত এবং তাঁর দুটি সন্তান আছে। তিনি এ-ও বলেন যে, 'আমার জন্য এই তথ্য লুকনোও সহজ ছিল না। এই পরিস্থিতিতে আমি কী ভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করতে পারি?' অন্য দিকে ওই মহিলার অভিযোগ, ব্যাঙ্কার তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরে গোপনে একটি ভিডিও বানিয়ে তা সার্কুলেট করার হুমকি দিয়ে তাঁর যৌন শোষণ করতেন।ওই ব্যাঙ্কারের আইনজীবী, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সিদ্ধার্থ লুথরা বলেন, 'বিয়ের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ' করার ওপর ভিত্তি করেই ব্যাঙ্কারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর পরই বিচারপতি বিক্রমজীত সেন এবং বিচারপতি এস কে সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন করে যে, কবে (কোন কোর্ট দ্বারা) বলা হয়েছে, ২ বছরের সম্পর্ক পরে ভেঙে গেলে, ধর্ষণের অভিযোগ আনা যেতে পারে?
সম্পর্ক ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করার কী কারণ হতে পারে, সে প্রসঙ্গেই গত বছর প্রশ্ন করেছিল দিল্লি হাইকোর্ট। কোর্টের তরফে বলা হয়েছিল, 'এমন অনেক মামলাই দেখা যাচ্ছে, যেখানে মহিলারা সহমতিতে সহবাস করেন এবং সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আইনকে হাতিয়ার করেন। টাকা আদায় বা পুরুষকে বিয়ের জন্য বাধ্য করতে এমন করা হয়।'
সে সময় ট্রায়াল কোর্টগুলিকে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, এমন মামলায় তারা যেন অভিযোগকারিণীর মনোভাব ভালো করে খতিয়ে দেখুক। পাশাপাশি অভিযোগ সত্যি, না উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা-ও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।
No comments:
Post a Comment