জয়দেব দাস, কলকাতাঃ সরকারি দফতর থেকে ফাইল উধাও শোনা যায়৷ হাসপাতাল থেকে সদ্যজাত উধাওয়ের ঘটনাও আকছাড়ই সামনে আসে৷ কিন্তু শহরের এক নামি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এবার রোগীর মাথার খুলির অংশই উধাও! তাও আবার অপারেশন থিয়েটার থেকে! চিকিত্সায় চরম গাফিলতির এমনই ঘটনা ঘটেছে রুবি জেনারেল হাসপাতালে৷ বিপন্ন তরুণের জীবন৷
২০১৩-র ১৭ জানুয়ারি বাইপাস লাগোয়া রুবি জেনারেল হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করতে গিয়ে মৃত্যু হয় আশিস দত্ত নামে এক ব্যক্তির৷ বাবার মৃত্যুতে মানসিক অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়েন আশিস দত্তর ছেলে অর্ণব৷ কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র অর্ণব সেদিন রাতেই তিনতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন৷ তাঁর ব্রেন হেমারেজ হয়৷ ভর্তি করা হয় রুবি জেনারেল হাসপাতালেই৷ চিকিত্সকরা তাঁকে সুস্থ করে তুলতে এক জটিল অস্ত্রোপচার করেন৷ চিকিত্সা পরিভাষায় যাকে বলে ক্র্যানিওটমি৷
এতে খুলি থেকে একটি অংশ বের কর আনা হয়৷ তারপর বিশেষ পদ্ধতিতে কোষগুলিকে সচল করার চেষ্টা হয়৷ এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হলে পরে পুনরায় খুলিতে সেই অংশটি প্রতিস্থাপন করা হয়৷ ততদিন খুলির ওই অংশটি বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হয়৷
অর্ণবের ক্ষেত্রে খুলির অংশটি বার করে আনার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি৷ তাঁকে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে পরিবার৷ ২০১৩ এর ১২ মার্চ রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিঠি দিয়ে রোগীর পরিবারকে জানানো হয়, ২০১৩-র ১৭ জানুয়ারি অর্ণব দত্তকে রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ ওই দিনই ক্র্যানিওটমির পর তাঁর খুলির একটা অংশ অপারেশন থিয়েটারে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে৷
এ বছরের ১০ মে অর্ণবের পরিবারের তরফে খুলির ওই অংশটির জন্য রুবি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ঘোরাতে থাকে বলে অভিযোগ৷ এরপর ২০ জুন রুবি কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়ে জানায়, অপারেশন থিয়েটারের যেখানে খুলির ওই অংশটি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল, এখন সেখানে আর সেটি পাওয়া যাচ্ছে না৷
যদিও পরিবারের দাবি, রুবি হাসপাতালের তরফে তাদের মৌখিকভাবে জানানো হয়, অর্ণবের খুলির ওই অংশ ফেলে দেওয়া হয়েছে৷
হাসপাতালের এই চরম উদাসীনতায় হতবাক অর্ণব দত্তর পরিবার৷ তারা বুঝে উঠতে পারছে না এখন কী করবে৷ গাফিলতির কথা কার্যত স্বীকার করে নিয়ে রুবি জেনারেল হাসপাতালের সাফাই তারা ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেবে৷
কিন্তু প্রশ্ন হল যে এক তরুণের জীবনের ক্ষতিপূরণ কীভাবে দেবে রুবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? অর্ণবকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দিতে পারবে তারা৷ এই ধরনের পরিষেবা দেওয়ার জন্যই কী রোগীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ নেওয়া হয়?
২০১৩-র ১৭ জানুয়ারি বাইপাস লাগোয়া রুবি জেনারেল হাসপাতালে এন্ডোস্কপি করতে গিয়ে মৃত্যু হয় আশিস দত্ত নামে এক ব্যক্তির৷ বাবার মৃত্যুতে মানসিক অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়েন আশিস দত্তর ছেলে অর্ণব৷ কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র অর্ণব সেদিন রাতেই তিনতলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন৷ তাঁর ব্রেন হেমারেজ হয়৷ ভর্তি করা হয় রুবি জেনারেল হাসপাতালেই৷ চিকিত্সকরা তাঁকে সুস্থ করে তুলতে এক জটিল অস্ত্রোপচার করেন৷ চিকিত্সা পরিভাষায় যাকে বলে ক্র্যানিওটমি৷এতে খুলি থেকে একটি অংশ বের কর আনা হয়৷ তারপর বিশেষ পদ্ধতিতে কোষগুলিকে সচল করার চেষ্টা হয়৷ এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হলে পরে পুনরায় খুলিতে সেই অংশটি প্রতিস্থাপন করা হয়৷ ততদিন খুলির ওই অংশটি বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হয়৷
অর্ণবের ক্ষেত্রে খুলির অংশটি বার করে আনার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি৷ তাঁকে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে পরিবার৷ ২০১৩ এর ১২ মার্চ রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিঠি দিয়ে রোগীর পরিবারকে জানানো হয়, ২০১৩-র ১৭ জানুয়ারি অর্ণব দত্তকে রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ ওই দিনই ক্র্যানিওটমির পর তাঁর খুলির একটা অংশ অপারেশন থিয়েটারে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে৷
এ বছরের ১০ মে অর্ণবের পরিবারের তরফে খুলির ওই অংশটির জন্য রুবি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ঘোরাতে থাকে বলে অভিযোগ৷ এরপর ২০ জুন রুবি কর্তৃপক্ষ চিঠি দিয়ে জানায়, অপারেশন থিয়েটারের যেখানে খুলির ওই অংশটি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল, এখন সেখানে আর সেটি পাওয়া যাচ্ছে না৷
যদিও পরিবারের দাবি, রুবি হাসপাতালের তরফে তাদের মৌখিকভাবে জানানো হয়, অর্ণবের খুলির ওই অংশ ফেলে দেওয়া হয়েছে৷
হাসপাতালের এই চরম উদাসীনতায় হতবাক অর্ণব দত্তর পরিবার৷ তারা বুঝে উঠতে পারছে না এখন কী করবে৷ গাফিলতির কথা কার্যত স্বীকার করে নিয়ে রুবি জেনারেল হাসপাতালের সাফাই তারা ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেবে৷
কিন্তু প্রশ্ন হল যে এক তরুণের জীবনের ক্ষতিপূরণ কীভাবে দেবে রুবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? অর্ণবকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দিতে পারবে তারা৷ এই ধরনের পরিষেবা দেওয়ার জন্যই কী রোগীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ নেওয়া হয়?
No comments:
Post a Comment