একবার পুলিশের জালে ধরা পড়লেও, ছাড়া পেয়েও থামেনি এই দর্জির অপকর্ম।
৩৮ বছর বয়েসি সুনীল রাস্তোগী। পেশায় দর্জি। কিন্তু নেশা ভয়ংকর। উত্তরপ্রদেশের রামপুরের বাসিন্দা। গত ১২ বছর ধরে বাচ্চা মেয়েদের ধর্ষণ করা ও যৌন নির্যাতন চালিয়েছে সে। দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জানিয়েছে, ধর্ষণ করে সে আনন্দ পেত। তাই সে বাচ্চা মেয়েদের নিশানা করত।
সুনীল সম্পর্কক্রান্তি এক্সপ্রেস করে দিল্লিতে আসত। বিজোড় সংখ্যার তারিখে আসত আর লাল জ্যাকেট ও জিন্স পরত। এটাই ছিল সুনীলের কুসংস্কার। এভাবেই সে দিল্লিতে আসত যৌন নির্যাতনের কাণ্ড ঘটাতে। দুষ্কর্ম করে বাড়ি ফিরে যেত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা সুনীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্ততঃ ১২টি ঘটনার কথা জানতে পেরেছে।
স্কুলের বাচ্চাদেরই সে নিশানা করত। পকেটে মেয়েদের স্কুলের নাম ঠিকানা নিয়ে ঘুরে বেড়াত। স্কুল ছুটির সময় ভুলিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে বাচ্চা মেয়েদের নিয়ে যেত যৌন নির্যাতন চালানোর জন্য। এতদিন ধরে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে সে এই কাজ করে আসছিল।
একই রকমের দু'টি অভিযোগ পেয়ে পুলিশ নজরদারি শুরু করে এবং সুনীলকে গ্রেফতার করে। দু'টি অভিযোগেই নির্যাতনকারি লাল রঙের জ্যাকেট পরেছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
২০০৪ সালে দিল্লির ময়ূর বিহারে এক প্রতিবেশীর মেয়েকে যৌন নির্যাতন করে সে স্থানীয় লোকজনের কাছে মারও খেয়েছিল। ২০০৬ সালে উত্তরাখন্ডের রুদ্রপুরে একই ধরনের ঘটনায় সুনীলের জেল হয়। ছ'মাসের মধ্যে সে ছাড়া পেয়ে যায়। তারপরও সে তার অপকর্ম চালিয়ে যায়।
২০০৪ সালে দিল্লির ময়ূর বিহারে এক প্রতিবেশীর মেয়েকে যৌন নির্যাতন করে সে স্থানীয় লোকজনের কাছে মারও খেয়েছিল। ২০০৬ সালে উত্তরাখন্ডের রুদ্রপুরে একই ধরনের ঘটনায় সুনীলের জেল হয়। ছ'মাসের মধ্যে সে ছাড়া পেয়ে যায়। তারপরও সে তার অপকর্ম চালিয়ে যায়।

No comments:
Post a Comment