খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় মহেশতলা থানার পুলিশ। কিন্তু ঘটনার পর থেকে মহেশবাবুর ছেলে সোনুর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
বাবাকে হত্যার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধেই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মহেশতলায়।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে খবর, মহেশতলার কালিতলার বাসিন্দা মহেশকুমার সাউ(৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে এ দিন দুপুরে নিজের বাড়ির বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মহেশবাবুর স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন। কিন্তু তাঁর চিত্কারেই ছুটে যান প্রতিবেশীরা। কিন্তু মহেশবাবুর কাছে গিয়ে তাঁরা দেখেন, ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলেও তাঁর গলার নলি কাটা রয়েছে। সেখান থেকে অঝোরে রক্ত ঝরছে।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় মহেশতলা থানার পুলিশ। কিন্তু ঘটনার পর থেকে মহেশবাবুর ছেলে সোনুর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবেশী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ গিয়ে পড়ে সোনুর উপরে। বছর বত্রিশের
সোনু খিদিরপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী বলে জানা গিয়েছে।
মহেশবাবুর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। খোঁজ শুরু হয় ছেলে সোনুর। শেষ পর্যন্ত এ দিন সন্ধ্যায় কালিতলা এলাকা থেকেই তাকে আটক করেছে পুলিশ। থানায় নিয়ে গিয়ে তাকে জেরা শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। সোনুর মাকেও থানায় নিয়ে গিয়ে কী ঘটেছিল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
কী কারণে সোনু তার বাবাকে খুন করবে, তা এখনও প্রতিবেশীদের কাছেও স্পষ্ট নয়। আদতে বিহারের গয়ার বাসিন্দা মহেশবাবুরা বছর পাঁচেক আগে মহেশতলায় আসেন।
মহেশবাবুর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। খোঁজ শুরু হয় ছেলে সোনুর। শেষ পর্যন্ত এ দিন সন্ধ্যায় কালিতলা এলাকা থেকেই তাকে আটক করেছে পুলিশ। থানায় নিয়ে গিয়ে তাকে জেরা শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। সোনুর মাকেও থানায় নিয়ে গিয়ে কী ঘটেছিল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
কী কারণে সোনু তার বাবাকে খুন করবে, তা এখনও প্রতিবেশীদের কাছেও স্পষ্ট নয়। আদতে বিহারের গয়ার বাসিন্দা মহেশবাবুরা বছর পাঁচেক আগে মহেশতলায় আসেন।
No comments:
Post a Comment