এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছিল ইলিনা দাস নামে এক নার্স।
ইলিনা সেই ডেথ সার্টিফিকেটের আবেদন করেআবেদনে সে লিখেছিল গান্ধিনগরে ইলিনার বাড়িতেই মারা যান ইন্দ্রাণী দাস।
এদিকে উদয়নের কথা প্রকাশ্যে আসতেই পাত্তা নেই ইলিনার।
ভার্চুয়াল জগতে প্রিয়জনদের বাঁচিয়ে রাখত উদয়ন
লিভ ইন পার্টনার আকাঙ্খা শর্মাকে খুনের আগে বাবা-মাকেও খুন করে বলে স্বীকার করেছে উদয়ন
তবে বাবা-মাকে খুন করার পরও বাবার নামে ফেক অ্যাকাউন্ট চালাত সে
রিয়েল লাইফে খুন করে ভার্চুয়াল জগতে তাদের বাঁচিয়ে রেখে লোককে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করত সে

No comments:
Post a Comment