শুধু সুন্দরী হলেই কি আর সকলের মন জয় করা যায়? তার জন্য চাই একটু 'আদাহ্'। সেটা পুরোমাত্রায় রয়েছে এঁর মধ্যে। তাই এঁকে দেখার জন্য লাইন লেগে যাওয়াটা স্বাভাবিক।
ডানাকাটা পরী' বললে খুব একটা ভুল বলা হবে না। হতেই পারতেন নায়িকা, সিনেমা নয়তো টেলিভিশনের প্রোটাগনিস্ট হিসেবে হয়তো দেখা যেত তাঁকে। কিন্তু সেসব না করে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পেশা নিয়েছেন এই সুন্দরী। সফলও হয়েছেন। ইনি হলেন এখন কলকাতার 'টক অফ দ্য টাউন', সঙ্গীত বাংলার ভিজে আয়ুষী তালুকদার। এই ভিডিও জকি সুন্দরীকে এক ঝলক দেখলে বার বার দেখতে ইচ্ছে করবে। ইনি যেখানেই যান না কেন, মধ্যমণি হতে বেশিক্ষণ সময় লাগে না।
কলকাতার সল্টলেকবাসী এই সুন্দরী কি এখনও সিঙ্গল নাকি ওঁর মন জুড়ে কেউ রয়েছেন, এই নিয়েই এখন মাথা ঘামাচ্ছেন কলেজ পড়ুয়া থেকে ইয়ং প্রফেশনালস, সবাই।
আয়ুষীর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল বলছে, বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি খুবই সতর্ক। তবে বাংলা টেলি-অভিনেতাদের অনেকেই ওঁর বন্ধু। কিন্তু এঁর মধ্যে কেউ ওঁর মনের মানুষ কি না তা ঠিক স্পষ্ট নয়। অন্তত সোজাসুজি সেটা ঠিক বলতে চান না আয়ুষী।
দেখেশুনে মনে হয়, আয়ুষী এখন কেরিয়ারেই বেশি মন দিতে চান। বাঙালি ভিডিও জকির সংখ্যা বেশ কমই। কলকাতায় বা বাংলায় বসে অবাঙালিদেরই এই পেশায় বেশি রমরমা। আয়ুষীর মধ্যে একজন স্টার ভিজে হওয়ার সব রকম সম্ভাবনা রয়েছে। চেষ্টা করলে হয়তো তিনি শুধু বাংলাতে আটকে নাও থাকতে পারেন। শুধু বাংলার তরুণ নয়, সারা ভারতের তরুণদেরই হার্টথ্রব হয়ে উঠতে পারেন আয়ুষী।
কিন্তু সে সব চেষ্টা ছেড়ে তিনিও কি কম বয়সে বিয়ে করে ঘোর সংসারী হবেন নাকি কোনওদিন রুপোলি পর্দার হাতছানিতে পেশা বদলে নায়িকা হয়ে যাবেন? প্রথমটা হলে বাংলার বহু তরুণই কিন্তু বেশ মর্মাহত হবেন। আর দ্বিতীয়টা হলে খারাপ হবে না ঠিকই কিন্তু আরও একবার প্রমাণিত হবে যে সুন্দরী, স্মার্ট বাঙালি মেয়েরা ভিডিও জকি হিসেবে কেরিয়ার গড়ে তোলার ঝুঁকি নিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেন না।





No comments:
Post a Comment