অন্তরা হত্যা মামলার তদন্তকারী ও ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মহঃ আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অন্তরার স্বামী শফিকুল ইসলাম খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছিল। ২০১৫ সালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে অন্তরাকে খুনের অভিযোগ এনে পিটিশন মামলা করেন অন্তরার মা আমেনা খাতুন। গত ১২ জানুয়ারি সিএমএম অন্তরার লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
একই সঙ্গে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দিতেও নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশে মতোই মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও আমেনা বেগমের উপস্থিতিতে অন্তরার কবর থেকে ৬৭টি হাড় ও মাথার খুলি উত্তোলন করা হয়। পরে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্টের জন্য সেগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।
মহঃ আমিনুল
রোহিঙ্গাদের ঠেঙার চরে সরানোর প্রস্তাব ঢাকার
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৬ মে অন্তরা ও শফিকুলের বিয়ে হয়। রাজধানী ঢাকার বড় মগবাজার এলাকায় ছিল তাঁদের বসবাস। এর পর ২০১৪ সালের ২ জানুয়ারি অন্তরা অসুস্থ হলে তাঁকে কাকরাইলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ৮ জানুয়ারি ২০১৪ মারা যান অন্তরা। তাদের একটি ছেলে আছে। অন্তরার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলা সদরের চরপুয়া গ্রামে এবং শফিকুলের গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুরে। অন্তরা অভিনীত জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে 'পাগল মন', 'প্রেমের কসম', 'লেডি র্যাম্বো', 'শয়তান মানুষ', 'নাগ-নাগিনীর প্রেম'।

No comments:
Post a Comment