মুম্বই, ৪ এপ্রিল : স্ত্রীর যৌনচাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আর সেই কারণেই বিচ্ছেদের আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক রূপান্তরকামী ব্যক্তি। ঘটনাটি মুম্বইয়ের।
আবেদনকারী ৩১ বছর বয়সি এক ব্যবসায়ী। ২০১৪ সালে তিনি সেক্স চেঞ্জ করে মহিলা থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হন। পরের বছরের ডিসেম্বরেই তিনি বিয়ে করেন। পিটিশনে তিনি জানান, তাঁর যৌনাঙ্গ অপারেশনে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। তার বদলে সেখানে পুরুষের যৌনাঙ্গ বসানো হয়েছে। কিন্তু, তারপর থেকেই তিনি স্বাভাবিক যৌনজীবন অতিবাহিত করতে পারছেন না।
তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুভূতিটা ঠিক এরকম, যেন একজন মহিলার দেহে আষ্টেপৃষ্ঠে বন্দী হয়ে রয়েছেন এক পুরুষ। তাঁর বিচ্ছেদকামী স্ত্রীও তাঁর সেক্স চেঞ্জ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন এবং তাতে তাঁর সম্মতিও দিয়েছিলেন। ওই ব্যবসায়ী এও জানান, তাঁর স্ত্রী জানতেন, তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে চলেছেন, যিনি স্বাভাবিক যৌনজীবন অতিবাহিত করতে সক্ষম নন।
তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুভূতিটা ঠিক এরকম, যেন একজন মহিলার দেহে আষ্টেপৃষ্ঠে বন্দী হয়ে রয়েছেন এক পুরুষ। তাঁর বিচ্ছেদকামী স্ত্রীও তাঁর সেক্স চেঞ্জ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন এবং তাতে তাঁর সম্মতিও দিয়েছিলেন। ওই ব্যবসায়ী এও জানান, তাঁর স্ত্রী জানতেন, তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে চলেছেন, যিনি স্বাভাবিক যৌনজীবন অতিবাহিত করতে সক্ষম নন।
রূপান্তরকামী ওই ব্যবসায়ীর ২৯ বছর বয়সি স্ত্রী একজন ফ্যাশন ডিজ়াইনার। এর আগে তিনি স্থানীয় আদালতে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পারিবারিক হিংসার মামলা দায়ের করেছিলেন। তিনি প্রতিমাসে খোরপোশ বাবদ ১ লাখ টাকা দাবি করেন স্বামীর কাছে। এছাড়াও দাবি করেছেন, দক্ষিণ মুম্বইয়ে একটি আবাসন।
ওই মহিলার দাবি, ১২ বছর আগেই তাঁর বর্তমান স্বামীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তখন তিনি তাঁকে একজন পুরুষ বলেই জানতেন। কিন্তু, সাত বছর পরে তিনি তাঁকে একজন নারী হিসেবে বুঝতে পারেন। তখন তিনি এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তখনই রূপান্তরিত হয়ে পুরুষে পরিণত হতে চেয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। ঘটনার জেরে মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েন মহিলা। তখন তাঁকে ওই ব্যক্তি আশ্বাস দিয়েছিলেন, অপারেশন করলেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। অপারেশনের পরে বিয়ে করেন তাঁরা। কিন্তু, দেখা যায়, তাঁদের যৌনজীবন আর পাঁচটা সম্পর্কের মতো স্বাভাবিক নয়। তাঁকে ধোঁকা দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল বলেও আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীর স্ত্রী।
ওই মহিলার দাবি, ১২ বছর আগেই তাঁর বর্তমান স্বামীর সঙ্গে পরিচয় হয়। তখন তিনি তাঁকে একজন পুরুষ বলেই জানতেন। কিন্তু, সাত বছর পরে তিনি তাঁকে একজন নারী হিসেবে বুঝতে পারেন। তখন তিনি এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তখনই রূপান্তরিত হয়ে পুরুষে পরিণত হতে চেয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। ঘটনার জেরে মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েন মহিলা। তখন তাঁকে ওই ব্যক্তি আশ্বাস দিয়েছিলেন, অপারেশন করলেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। অপারেশনের পরে বিয়ে করেন তাঁরা। কিন্তু, দেখা যায়, তাঁদের যৌনজীবন আর পাঁচটা সম্পর্কের মতো স্বাভাবিক নয়। তাঁকে ধোঁকা দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল বলেও আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীর স্ত্রী।

No comments:
Post a Comment