সাম্প্রতিককালে ধূলাগড় ও হাওড়ার তেহট্ট সহ একাধিক জায়গায় সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার বিষয়েও তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গেছে।
বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক কাজের বাইরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে একটি জনসভাও করতে পারেন তিনি। আর এই নির্বাচনী কেন্দ্রে তিনি বিজেপি-র দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি সহ এই জেলার সমস্ত নেতৃত্বের সঙ্গেও একটি বৈঠক করবেন। আসলে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের থেকেও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের দিকেই পাখির চোখ করছেন। কারণ তাদের মূল টার্গেট লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই ঘুঁটি সাজাতে চাইছে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলায় জেলায় একাধিক পথসভা, ছোটো জনসভা ও মিছিল সহ একাধিক কর্মসূচি নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই অনুযায়ী বিজেপি-র রাজ্য সভাপতিকে একটি প্ল্যান তৈরি করারও নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিজেপি নেতাদের একাংশের কথায়, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিজে রাজ্যে প্রচারে আসবেন। আর ঠিক তার আগে রাজনাথ সিংকে রাজ্যে পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এটা বোঝাতে চাইছেন যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরা ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না।
এই বিষয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছে রাজ্যে বিজেপি-র সংগঠনকে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করতে। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশেই রাজ্য বিজেপি সব ধরনেরই পরিকল্পনা করছে।’
বিজেপি নেতাদের একাংশের কথায়, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিজে রাজ্যে প্রচারে আসবেন। আর ঠিক তার আগে রাজনাথ সিংকে রাজ্যে পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এটা বোঝাতে চাইছেন যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরা ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না।
এই বিষয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছে রাজ্যে বিজেপি-র সংগঠনকে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করতে। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশেই রাজ্য বিজেপি সব ধরনেরই পরিকল্পনা করছে।’

No comments:
Post a Comment